
দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) সংবাদদাতা
চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৪৫ জন সার ডিলার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬৪৩ জন আবেদনকারীর আবেদন যাচাই-বাছাই করছেন সংশ্লিষ্ট নিয়োগ কমিটির সদস্যরা। তবে যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার আগেই কয়েকজন আবেদনকারীর যোগ্যতা, ঠিকানা ও পারিবারিকভাবে ডিলারশিপ থাকার বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এরই মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নে বিসিআইসি সার ডিলার পদে আবেদন করা শামসুর রশিদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগকারীদের একজন মোহাম্মদ মিঠু বলেন, শামসুর রশিদ আলুকদিয়া ইউনিয়নের হুচুকপাড়ার ঠিকানা ব্যবহার করে সার ডিলার পদে আবেদন করেছেন। তবে তিনি ওই ইউনিয়নের প্রকৃত বাসিন্দা নন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ডিলার নিয়োগের জন্য আবেদন করার আগে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে জাতীয় পরিচয়পত্রে ঠিকানা পরিবর্তন করা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, শামসুর রশিদের পরিবারের একাধিক সদস্য ইতোমধ্যে সার ডিলার হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। এমন অবস্থায় একই পরিবারের আরেক সদস্য কিভাবে নতুন করে সার ডিলার হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা। অভিযোগ অস্বীকার করে শামসুর রশিদ বলেন, সমন্বিত নীতিমালা মেনেই তিনি আবেদন করেছেন। আলুকদিয়া ইউনিয়নে তার বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। তাই তার আবেদনে কোনো অনিয়মের সুযোগ নেই।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক নুরুল ইসলাম বলেন, আবেদনকারীদের বিভিন্ন ধাপে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। কোনো আবেদনকারী নীতিমালা অনুযায়ী অযোগ্য বিবেচিত হলে তার আবেদন বাতিল করা হবে। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার বলেন, সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ার যাচাই-বাছাই শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। নিয়মের বাইরে কোনো কিছু করা হবে না।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








