
আনাদোলু ও আলজাজিরা
গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার এক বছর পেরিয়ে গেলেও ফিলিস্তিনিদের প্রাণহানি, খাদ্যসঙ্কট ও বাস্তুচ্যুতি থামেনি। ইসরাইলি হামলায় গত এক বছরে গাজায় এক হাজার চার শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অন্য দিকে প্রায় ২০ লাখ মানুষের জরুরি ভিত্তিতে আশ্রয় প্রয়োজন। এমন পরিস্থিতিতে ১০০টির বেশি মানবিক, মানবাধিকার ও নাগরিক সংগঠন বলেছে, গাজায় যুদ্ধবিরতি এখন শুধু নামেই টিকে আছে। শুক্রবার প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে এসব সংগঠন জানায়, গাজায় প্রতিদিনই ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় নিহত ও আহত হচ্ছেন। পাশাপাশি ত্রাণ, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও পুনর্গঠন সামগ্রীর ওপর বিধিনিষেধের কারণে যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পথ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিল, সেভ দ্য চিলড্রেন, অক্সফাম ও গ্রিনপিসসহ শতাধিক আন্তর্জাতিক সংস্থা এই বিবৃতিতে অংশ নিয়েছে।
২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। কিন্তু চুক্তির এক বছর পরও সেখানে সহিংসতা ও মানবিক সঙ্কট অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনগুলো।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে জবাবদিহির বিষয়টি চাপা পড়ে থাকতে পারে না। ইসরাইলকে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের বাধ্যতামূলক নির্দেশনা মেনে চলতে চাপ দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যর্থতা পরিস্থিতিকে আরো জটিল করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ইসরাইলি হামলায় নিহত আরো ৮
এ দিকে গাজার হাসপাতাল সূত্রের বরাতে জানা গেছে, গতকাল ভোর থেকে গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় আরো অন্তত আট ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে আট বছর বয়সী এক শিশুও রয়েছে। নিহতদের একজন আগে আহত হয়েছিলেন।
শীতের মুখে গাজার ২০ লাখ মানুষ, আইওএমের তীব্র উদ্বেগ
আসন্ন শীতের আগে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় দেখা দিয়েছে চরম মানবিক সঙ্কট। উপত্যকাটির প্রায় ২০ লাখ অধিবাসীর পুরো অংশই এখন জরুরি আশ্রয় সহায়তার আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসঙ্ঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








