লোড হচ্ছে...
২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের পল্টন ট্রাজেডি দিবসে সাভারে জামায়াতে ইসলামীর আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে তৎকালীন সহিংসতার সুষ্ঠু বিচার, দোষীদের শাস্তি এবং নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়।
৪ দিন আগে

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের নিহতদের স্মরণে ঢাবি ছাত্রশিবির দোয়া মাহফিল আয়োজন করে। এতে বক্তারা অভিযোগ করেন, ওই দিনই আওয়ামী লীগ দেশে ফ্যাসিজমের সূচনা করেছিল এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি গড়ে তুলেছিল।
৪ দিন আগে

বিশিষ্ট স্কলার মুফতি শরীফ বিন আসাদ বলেন, ‘জ্ঞানার্জন, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে মহানবী সা: যে শিক্ষার ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন, তা অনুসরণ করেই মুসলমানরা একসময় শিক্ষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিয়েছে।’
২৪ দিন আগে

মুফতি আলী হাসান উসামা বলেছেন, ‘রাসূলের সা: জীবনের সৌন্দর্য, চারিত্রিক অতুলনীয় দৃষ্টান্ত ও আদর্শের অনুপম গল্প তাদের কর্ণকুহরে পৌঁছে দেয়া জরুরি। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি উসওয়াতুন হাসানাহ।’
২৬ দিন আগে

বক্তারা বলেন, ‘সাঈদ এস্কান্দার ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা। এ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে তার দীর্ঘ ত্যাগ ছিল। তিনি বিচক্ষণ ও মেধাবী মানুষ ছিলেন। মানুষের সুখে-দুঃখে তিনি পাশে ছিলেন। ফেনীবাসীর হৃদয়ে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।’
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নোয়াখালী প্রেস ক্লাবে মহানবী সা:-এর জীবন ও আদর্শ নিয়ে সিরাত মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা:-এর জীবনাদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে ব্যক্তি ও সমাজজীবনে ন্যায়, মানবিকতা ও জবাবদিহিতার চর্চা নিশ্চিত করতে হবে। নবীজি সা: শুধু ইবাদতের শিক্ষা দেননি; মানুষের অধিকার রক্ষা, আমানতদারি, ন্যায়বিচার ও পারস্পরিক দায়িত্ববোধের মাধ্যমে একটি কল্যাণভিত্তিক সমাজ গঠনের দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন।’
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে যশোরের মুন্সী মেহেরুল্লাহ ময়দানে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে সীরাতুন্নবী সা: মাহফিলে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


