লোড হচ্ছে...
দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। পরিবহন শ্রমিকেরা শান্তিপূর্ণভাবে অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন। কর্মসূচি চলাকালে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
৬ দিন আগে

অবরোধ চলাকালীন সময়ে আন্দোলনকারীরা সড়কের বিভিন্ন স্থানে গাছের গুঁড়ি, বাঁশ, ইট ও টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন।
৭ দিন আগে

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউসে সাজেকের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
১২ দিন আগে

অবরোধ চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সড়কের বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত টহল দিচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় গাছের গুঁড়ি ও আগুন জ্বালিয়ে পিকেটিং করেছে অবরোধ সমর্থকরা।
১৩ দিন আগে

সাজেকে চলমান আন্দোলনের সমর্থনে এবং এর আগের কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিচার্জের প্রতিবাদে ছাত্র-জনতা সংগ্রাম পরিষদের ডাকা অর্ধদিবস সড়ক অবরোধ কর্মসূচির কোনো প্রভাব পড়েনি রাঙ্গামাটি শহরে। সবকিছুই ছিলো স্বাভাবিক।
১৪ দিন আগে

চলমান সাজেকের ঘটনাসমূহ আঞ্চলিক দুটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইউপিডিএফ ও জেএসএসের আধিপত্য বিস্তার সংক্রান্ত বিষয় উল্লেখ করে বক্তারা প্রশ্ন তুলেন— প্রশাসন সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে যথাযথ ও কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে সাজেক ভ্রমণের ওপর কেন নিষেধাজ্ঞা দেয়।
১৫ দিন আগে

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১টার দিকে পর্যটকবাহী গাড়িবহর খাগড়াছড়ি শহরে পৌঁছায়। ফেরার পথে বিভিন্ন স্থানে অবরোধের মুখে পড়লেও সেনাবাহিনীর পাহারায় তারা নিরাপদে অবরোধ এলাকা পার হন।
১৬ দিন আগে

আজ বৃহস্পতিবার সাজেকের গঙ্গারাম বাজার এলাকায় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) সশস্ত্র সদস্যরা স্থানীয় জনগণকে জোরপূর্বক মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সড়ক অবরোধ এবং পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর গুলিবর্ষণ করে।
১৭ দিন আগে

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে জামায়াত আমির সরকারকে উদ্দেশ করে আরো বলেন, ‘সাধারণ নাগরিকদের জীবন নিয়ে তামাশা করার অধিকার কারো নেই। সময় থাকতে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।’
১৭ দিন আগে

আটকে পড়া পর্যটকদের বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্কট করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় গঙ্গারাম বাজার এলাকায় তাদের লক্ষ্য করে অতর্কিতে ইটপাটকেল ছোড়া হয় বলে ওই সূত্র জানায়।
১৭ দিন আগে

সকাল ৬টা থেকে ‘সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি’ ও ‘সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের’ যৌথ উদ্যোগে তিন দফা দাবিতে এই অবরোধ শুরু হয়। সকালে পিকেটাররা সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং শুরু করলে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা থেকে সাজেক ভ্যালি পর্যন্ত সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
১৭ দিন আগে

আগামীকাল ১৬ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত সাজেকে পর্যটকদের ভ্রমণে আর কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকছে না। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পর্যটকদের ভ্রমণের সুযোগ দিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
২৩ দিন আগে

সকালে খাগড়াছড়ির মুক্ত মঞ্চের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে পর্যটন সংশ্লিষ্ট পরিবহন মালিক-শ্রমিক, হোটেল ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনগণ।
২৫ দিন আগে

রোববার (১১ অক্টোবর) রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সাজেকে পর্যটকদের ভ্রমণ বন্ধ থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
২৭ দিন আগে


