লোড হচ্ছে...
মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। অন্যদিকে তাদের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পুরান ঢাকার বংশাল থেকে রায়হান উদ্দিনকে গ্রেফতার করে ডিবির একটি দল। পরে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওইদিন রাত ১২টা ১৫ মিনিটে লালবাগ থানার জন সাহা রোডের একটি ১০ তলা ভবনের নিচতলার পার্কিং এলাকায় অভিযান চালায় ডিবি।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মামলা দায়েরের পর তদন্তকারী কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুদ্দোহা সরকার আদালতে তাদের সাত দিন রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) তাদের ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসেন মুহাম্মদ জোনাইদ তাদের দু’দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


