
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে চরাঞ্চলের আধিপত্য বিস্তার, জমি দখল, মাদক, অস্ত্র ব্যবসা ও অবৈধ বালুমহল দখলকে কেন্দ্র করে সঙ্ঘটিত জোড়া হত্যার মামলার অন্যতম আসামি শুটার টুয়েল ফরাজীকে (৩০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ডের আবেদন করা হলে আদালত তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদকালে টুয়েল ফরাজী পুলিশের কাছে চরাঞ্চলের অপরাধ সাম্রাজ্য ও হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছে দৌলতপুর থানা পুলিশ।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে দৌলতপুর থানায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: খালেদুর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে দৌলতপুর থানার ওসি মো: খালেদুর রহমান বলেন, টুয়েল ফরাজীকে আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ডের আবেদন করা হলে আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল পরিকল্পনাকারী, চরাঞ্চলে সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, মাদক ও অস্ত্র ব্যবসা এবং অবৈধ বালু কারবারের নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের সম্পর্কে টুয়েল ফরাজী গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, টুয়েল ফরাজীর দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলার বাকি আসামিদের গ্রেফতার ও চরাঞ্চলকে অপরাধমুক্ত করতে পুলিশের বিশেষ অভিযান জোরদার করা হবে। চরাঞ্চলকে ঘিরে যেকোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানা পুলিশ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর মুন্তাজ মন্ডল ও নাজমুল হোসেন নামে দুই ব্যক্তিকে কুপিয়ে ও গুলি করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। কুষ্টিয়ার দৌলতপুর ও ভেড়ামারা, পাবনার ঈশ্বরদী, নাটোরের লালপুর, রাজশাহীর বাঘা ও চারঘাট উপজেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার, চরের জমি দখল, মাদক ও অস্ত্র ব্যবসা এবং অবৈধ বালুমহল দখল ও ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এই হত্যার ঘটনা ঘটে।
ওই আলোচিত ডাবল হত্যার মামলার অন্যতম প্রধান আসামি ও অস্ত্রধারী শুটার সন্ত্রাসী টুয়েল ফরাজীকে গত ৪ অক্টোবর বিশেষ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে দৌলতপুর থানা পুলিশ।
গ্রেফতার টুয়েল ফরাজী উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়ার গ্রামের আলাই ফরাজীর ছেলে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








