লোড হচ্ছে...
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোকে একীভূত করে আর্থিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা করা। এ জন্য সরকার ৩৫ হাজার কোটি টাকার মূলধন জোগানের ব্যবস্থা করেছে বলে দেয়া তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। ব্যাংকটির পরিচালনা ও তদারকির জন্য একটি পরিচালনা পর্ষদও গঠন করা হয়।
৪ দিন আগে

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যাংকিং খাতে আয়ের পথে এখন প্রথম বাধা অতি উচ্চখেলাপি ঋণ। যা দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি। জুন শেষে ব্যাংক খাতের মোট ঋণ ও অগ্রিমের পরিমাণ ১৮ লাখ ৫০ হাজার ৫৯৫ কোটি টাকা। এর ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা, অর্থাৎ ৩২.৭৮ শতাংশই শ্রেণিকৃত খেলাপি। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে এই হার ৪৭.৩০ শতাংশ। এর মধ্যে জনতা ব্যাংকের অবস্থা সবচেয়ে শোচনীয়।
৮ দিন আগে

ব্যাংক খাতের সঙ্কট সব প্রতিষ্ঠানে সমান নয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত জুন শেষে মাত্র ১০টি ব্যাংকের কাছে খাতের মোট খেলাপি ঋণের ৭২ শতাংশের বেশি কেন্দ্রীভূত। এসব ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক। এই ১০ প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের সম্মিলিত পরিমাণ চার লাখ ৩৯ হাজার ৫২৭ কোটি টাকা।
১০ দিন আগে

দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ এখন আর কেবল কিছু ব্যবসায়ীর ঋণ পরিশোধে ব্যর্থতার সমস্যা নয়; এটি আর্থিক খাতের সুশাসন, ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং...
২০ দিন আগে

খেলাপি ঋণের বড় অংশ রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর ওপরও চাপ তৈরি করেছে। জুন শেষে ছয় রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের মোট খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে জনতা ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৭৫ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা, অগ্রণী ব্যাংকের ২৯ হাজার ২৯ কোটি, রূপালী ব্যাংকের ১৯ হাজার ২৮১ কোটি এবং সোনালী ব্যাংকের ১৫ হাজার ৪৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ শুধু বেসরকারি ব্যাংক নয়, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর ঋণ ব্যবস্থাপনাও বড় সঙ্কটের মুখে।
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


