
- খেলাপি ঋণ ৮৮ শতাংশ, মাসে লোকসান ৩৬ কোটি টাকা
- ১৫ হাজার কর্মী থাকলেও বাড়ছে জনবল ব্যয়
- ব্যবসা সম্প্রসারণে নেই দৃশ্যমান কৌশল
প্রতি মাসে প্রায় ৩৬ কোটি টাকা লোকসান গুনছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক। ব্যাংকটির মোট ঋণ ও বিনিয়োগের প্রায় ৮৮ শতাংশই খেলাপি। বিপুল অঙ্কের আমানত, ঋণ ও বিনিয়োগ নিয়ে আর্থিক সঙ্কটে থাকা প্রতিষ্ঠানটির সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ খেলাপি ঋণ আদায়, আয় বৃদ্ধি এবং আমানতকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা। কিন্তু এ অবস্থায় ব্যয় সঙ্কোচন ও বিদ্যমান জনবলকে কাজে লাগানোর পরিবর্তে নতুন করে উচ্চ বেতনে কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। একই সাথে ব্যাংকটির আর্থিক পুনরুদ্ধার নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
আওয়ামী আমলে ব্যাংকে বিতর্কিত ও দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া বিতর্কিত ব্যবসায়ী এস আলম ও কয়েকজন অলিগার্কের মাধ্যমে জনগণের আমানত লুট হওয়া সমস্যাগ্রস্ত পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের মোট আমানতের পরিমাণ ১ লাখ ২৮ হাজার ১১০ কোটি টাকা। অন্য দিকে ব্যাংকটির মোট ঋণ ও বিনিয়োগ ১ লাখ ৯৭ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৭৩ হাজার ২১২ কোটি টাকা। অর্থাৎ মোট ঋণ ও বিনিয়োগের প্রায় ৮৮ শতাংশই খেলাপি। আগস্টের শেষ নাগাদ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পাঁচটি ব্যাংকের সম্মিলিত এই পরিস্থিতি প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক পুনরুদ্ধারের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ব্যাংকটিতে বর্তমানে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মিলিয়ে জনবল রয়েছে ১৫ হাজার ১৩৫ জন। এর মধ্যে সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের ৩ হাজার ৯৪৮ জন, এক্সিম ব্যাংকের ৩ হাজার ১৩৮ জন, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ৪ হাজার ৯৯ জন, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের ২ হাজার ২৪২ জন এবং ইউনিয়ন ব্যাংকের ১ হাজার ৭০৮ জন কর্মরত রয়েছেন। এত বিপুল জনবল থাকার পরও নতুন নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
খেলাপি ঋণের ভয়াবহ চিত্র
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো খেলাপি ঋণের অস্বাভাবিক উচ্চ হার। পাঁচটি ব্যাংকের পৃথক হিসাবেও পরিস্থিতির ভয়াবহতা স্পষ্ট। আগস্টের শেষ নাগাদ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এক্সিম ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার ৭৭ দশমিক ০৮ শতাংশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ৯৭ দশমিক ০৪ শতাংশ, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের ৭৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ, ইউনিয়ন ব্যাংকের ৯৬ দশমিক ১৭ শতাংশ এবং গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের ৯৭ দশমিক ১৩ শতাংশ।
এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনটি ব্যাংকের ঋণের প্রায় পুরোটাই খেলাপি হয়ে পড়েছে। অন্য দু’টি ব্যাংকের অবস্থাও অত্যন্ত নাজুক। ফলে একীভূতকরণের মাধ্যমে গঠিত নতুন ব্যাংকটির জন্য ঋণ আদায় বাড়ানো এবং সম্পদের মান উন্নত করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে।
ব্যাংকসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বিপুল অঙ্কের খেলাপি ঋণ আদায়ে এখনো জোরালো ও দৃশ্যমান উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে আগের ব্যবস্থাপনার সময় বিতরণ করা ঋণের অর্থ উদ্ধার, ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বড় ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ে আরো তৎপরতা প্রয়োজন। তাদের মতে, ঋণ আদায়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি ছাড়া ব্যাংকটির আয় বৃদ্ধি ও আর্থিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা কঠিন হবে।
১০ লাখ টাকা বেতনে অতিরিক্ত এমডি নিয়োগ
ব্যাংকটির ব্যয় ব্যবস্থাপনা নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে উচ্চ বেতনে নতুন কর্মকর্তা নিয়োগের কারণে। অভিযোগ রয়েছে, ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিজে মাসে প্রায় ১৭ লাখ টাকা বেতন নেয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে আহমেদ জাফরুল হাসানকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তার মাসিক বেতন প্রায় ১০ লাখ টাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে দাবি করা হয়েছে। সূত্রগুলোর অভিযোগ, নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তার আগের কর্মস্থল ছিল কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন, বাংলাদেশ। সেখানে তিনি ইউনিট ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার পদমর্যাদা, দায়িত্ব ও শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচনায় অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকের মতো উচ্চপর্যায়ের পদে নিয়োগ দেয়ার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিয়োগের শর্ত, পেশাগত অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
ব্যাংকসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও নতুন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বেতন কাঠামো এবং নিয়োগের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে অসন্তোষ রয়েছে। ব্যবস্থাপনা পরিচালকের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও একাডেমিক ফলাফল নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কিছু কর্মকর্তা। অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকের মাসিক বেতন ১০ লাখ টাকা হলে শুধু বেতন বাবদ বছরে ব্যয় হবে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। এর সাথে অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা যুক্ত হলে ব্যয়ের পরিমাণ আরো বাড়তে পারে। ব্যাংকটি যখন প্রতি মাসে প্রায় ৩৬ কোটি টাকা লোকসান করছে, তখন নতুন উচ্চ বেতনের পদ সৃষ্টির আগে এর প্রয়োজনীয়তা ও সম্ভাব্য সুফল মূল্যায়ন করা উচিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরিচালনা পর্ষদে ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্ন
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোকে একীভূত করে আর্থিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা করা। এ জন্য সরকার ৩৫ হাজার কোটি টাকার মূলধন জোগানের ব্যবস্থা করেছে বলে দেয়া তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। ব্যাংকটির পরিচালনা ও তদারকির জন্য একটি পরিচালনা পর্ষদও গঠন করা হয়।
প্রাথমিক পর্যায়ে সরকারি তিনজন আমলা এবং বেসরকারি পেশাজীবীদের সমন্বয়ে পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরকারি আমলাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। এতে পর্ষদের ভারসাম্য ক্ষুণœ হয়েছে এবং চেয়ারম্যানের একক কর্তৃত্ব বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ব্যাংকের মতো গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিচালনা পর্ষদের স্বাধীনতা, জবাবদিহি ও ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যখন প্রতিষ্ঠানটির খেলাপি ঋণ বিপুল এবং সরকারি মূলধনের মাধ্যমে পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, তখন নিয়োগ, ব্যয় ও ঋণ আদায়ের সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তবে পরিচালনা পর্ষদের বর্তমান কাঠামো ও ক্ষমতার বণ্টন সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সরকারি প্রজ্ঞাপন এবং পর্ষদের আনুষ্ঠানিক নথি যাচাই করা জরুরি।
একীভূতকরণের পরও জনবল সমন্বয় নেই
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পাঁচ শতাধিক শাখা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এর বেশির ভাগই শহরাঞ্চলে অবস্থিত। একই শহরে পাঁচটি ব্যাংকের একাধিক শাখা থাকায় একীভূতকরণের পর শাখা ও জনবল সমন্বয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার পরিবর্তে নতুন নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।
পাঁচটি ব্যাংকের বিদ্যমান জনবল ১৫ হাজারের বেশি। একীভূতকরণের পর কোন শাখায় কতজন কর্মী প্রয়োজন, কোথায় অতিরিক্ত জনবল রয়েছে এবং কোন বিভাগে দক্ষতার ঘাটতি আছে- তা নির্ধারণ করে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এতে পরিচালন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি বিদ্যমান কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা কাজে লাগানো সম্ভব হতে পারে।
এ ছাড়া পাঁচটি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতায় উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, একই ধরনের বা কাছাকাছি দায়িত্ব পালনকারী কর্মীদের বেতন-ভাতার ব্যবধান ১৫ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত। অথচ বেতন কাঠামো সমন্বয়ের কোনো কার্যকর উদ্যোগ এখনো নেয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। একীভূত ব্যাংকের ক্ষেত্রে অভিন্ন মানবসম্পদ নীতিমালা ও স্বচ্ছ বেতন কাঠামো প্রতিষ্ঠা না হলে কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ আরো বাড়তে পারে।
ভালো গ্রাহক হারাচ্ছে ব্যাংক
ব্যাংকটির ব্যবসায়িক কার্যক্রম নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর অভিযোগ, ভালো গ্রাহকরা ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সুবিধা পাচ্ছেন না। সিদ্ধান্ত গ্রহণে দীর্ঘসূত্র এবং প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং সেবা পেতে জটিলতার কারণে কিছু ভালো গ্রাহক অন্য ব্যাংকের দিকে ঝুঁকছেন। এতে ব্যাংকটি নিয়মিত আয় সৃষ্টির সুযোগ হারাচ্ছে।
অন্য দিকে নতুন আমানত সংগ্রহ, পুরনো আমানতকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং আমানত উত্তোলনের চাহিদা যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনার জন্য সুস্পষ্ট কৌশল প্রয়োজন। ব্যাংকের আয় বাড়াতে ঋণ ও বিনিয়োগের পাশাপাশি এলসি, ব্যাংক গ্যারান্টি এবং ইজিপি-সংশ্লিষ্ট ব্যাংকিং সেবার মতো ফি ও কমিশনভিত্তিক ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এসব খাতে দ্রুত সিদ্ধান্ত ও কার্যকর উদ্যোগের অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্যাংকসংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত, গ্রাহকসেবার মান উন্নয়ন এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সাথে ঋণ বিতরণে ঝুঁকি যাচাই জোরদার করতে হবে, যাতে নতুন করে অনিয়মিত ঋণ সৃষ্টি না হয়।
পুনরুদ্ধারে প্রয়োজন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও জবাবদিহি
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের সামনে এখন একাধিক চ্যালেঞ্জ। বিপুল খেলাপি ঋণ আদায়, আয় বৃদ্ধি, জনবল সমন্বয়, বেতন কাঠামো সংস্কার এবং আমানতকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা- সব ক্ষেত্রেই কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। এ অবস্থায় নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, দায়িত্বের প্রয়োজনীয়তা এবং প্রত্যাশিত ফলাফলকে অগ্রাধিকার দেয়া জরুরি।
ব্যাংকটির আর্থিক পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করতে ঋণখেলাপিদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ে সময়ভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ, শাখা ও জনবল কাঠামো পর্যালোচনা, পরিচালন ব্যয় কমানো এবং ফি-কমিশনভিত্তিক আয় বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি নিয়োগ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনাও গুরুত্বপূর্ণ।
সব মিলিয়ে, ৩৫ হাজার কোটি টাকার মূলধনী সহায়তা এবং পাঁচটি ব্যাংকের বিশাল জনবল ও শাখা নেটওয়ার্ক থাকা সত্ত্বেও সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের সামনে আর্থিক পুনরুদ্ধারের পথ এখনো কঠিন। প্রায় ৮৮ শতাংশ খেলাপি ঋণ এবং মাসে ৩৬ কোটি টাকা লোকসানের প্রেক্ষাপটে উচ্চ বেতনে নতুন নিয়োগের যৌক্তিকতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাব দেয়া প্রয়োজন। ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা যদি দ্রুত ঋণ আদায়, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, ভালো গ্রাহক ফিরিয়ে আনা এবং ব্যবসা সম্প্রসারণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে না পারে, তাহলে একীভূতকরণের মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতে আস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য অর্জন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। শেষ পর্যন্ত ব্যাংকটির সাফল্য নির্ভর করবে কত দ্রুত লোকসান কমিয়ে নিয়মিত আয় বৃদ্ধি, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং আমানতকারীদের অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়, তার ওপর।
৫ ব্যাংকের খেলাপি ঋণের চিত্র
এক্সিম ৭৭.০৮, ফার্স্ট সিকিউরিটির ৯৭.০৪,
এসআইবিএল ৭৭.৬৪, ইউনিয়ন ৯৬.১৭ ও গ্লোবাল
ইসলামী ব্যাংকের ৯৭.১৩ শতাংশ
বিদ্যমান লোকবল
সোস্যাল ইসলামীর ৩৯৪৮ জন, এক্সিমের ৩১৩৮ জন,
ফার্স্ট সিকিউরিটির ৪৯৯ জন, গ্লোবাল ইসলামীর ২২৪২ জন
ও ইউনিয়নের ১৭০৮ জন
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








