
সুন্নতি পোশাক পরে দোয়া ও ধর্মীয় ইবাদাত নিয়ে বিদ্রুপ ও হাস্যরসের অভিযোগে ভাইরাল সিদ্দিকের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তরুণ আলেম ও উদ্যোক্তা মুফতি তানজিল আরেফিন আদনান।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেয়া একটি পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ওই পোস্টে মুফতি তানজিল আরেফিন আদনান লেখেন—‘ভাইরাল সিদ্দিক’ নামের এক ব্যক্তির ভিডিও বেশ কিছুদিন ধরে আমার সামনে আসছে। লোকটির কর্মকাণ্ড দেখে আমি রীতিমতো বিরক্ত, ক্ষুব্ধ এবং বিস্মিত! পাঞ্জাবি-পায়জামা, মাথায় টুপি, বাহ্যিকভাবে একজন ধর্মীয় ব্যক্তির বেশভূষা। অথচ এই পোশাক পরেই সে যা করছে, তা আমার কাছে অত্যন্ত আপত্তিকর এবং ধর্মীয় ইবাদতের প্রতি চরম অসম্মানজনক বলে মনে হচ্ছে।
তিনি আরো লেখেন, ‘বিশেষ করে দুআর মতো একটি পবিত্র ইবাদতকে সে যেভাবে হাস্যরস, বিদ্রূপ আর সস্তা বিনোদনের উপকরণে পরিণত করছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
আরো পড়ুন—সাংবাদিককে অসম্মান : অনুষ্ঠান থেকে বাদ পরীমনি
তরুণ ওই আলেম লেখেন, ‘আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, এসব কর্মকাণ্ড হচ্ছে অসংখ্য ক্যামেরার সামনে। একশ্রেণির তথাকথিত সাংবাদিক, বিশেষ করে ভিউসর্বস্ব মোবাইল সাংবাদিকতার নামে যারা ঘুরে বেড়াচ্ছে, তারা এসব কর্মকাণ্ডকে নিয়মিত প্রচার করছে। তাদের কাছে সাংবাদিকতার নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা কিংবা ধর্মীয় সংবেদনশীলতার চেয়ে যেন কয়েক হাজার ভিউ আর কিছু সস্তা জনপ্রিয়তাই বড়! প্রশ্ন হচ্ছে, একটি সমাজের রুচি ও বিবেচনাবোধের কতটা অধঃপতন ঘটলে ইবাদত নিয়ে এমন তামাশাও বিনোদন হিসেবে জনপ্রিয়তা পায়?’
তিনি লেখেন, ‘আমি বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়েছি। ভাইরাল সিদ্দিকের এসব ভিডিওর বিষয়ে আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে তাকে আইনি নোটিশ পাঠানো এবং প্রযোজ্য আইনে অভিযোগ বা মামলা দায়েরের সম্ভাবনা যাচাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তার প্রচারিত বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড আইনগতভাবে ধর্মীয় অবমাননা বা অন্য কোনো অপরাধের পর্যায়ে পড়ে কি না, সেটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় আসা উচিত। সবকিছুকে তামাশা বানিয়ে ফেলার এই অসুস্থ সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এখনই সোচ্চার হওয়া দরকার ‘
তিনি যোগ করেন—‘ভাই, থাক, এসব ফালতু বিষয় নিয়ে আপনি সময় নষ্ট কইরেন না’— এমন কথা বলে কেউ বিষয়টাকে হালকা করার চেষ্টা করবেন না অনুগ্রহ করে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








