
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সম্পর্কে গোপন তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ কোটি ডলার পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ উদ্যোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তেহরান বলেছে, ওয়াশিংটনের কথিত ‘ন্যায়বিচারের জন্য নতুন পুরস্কার’ আসলে ‘অপরাধের সহযোগী নিয়োগের’ চেষ্টা।
ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ অ্যাজেন্সি রোববার (৮ নভেম্বর) জানায়, ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে নিযুক্ত ইরানের মিশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরানি বিজ্ঞানীদের হত্যায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অন্ধকার অতীত রয়েছে। তারা বারবার ইরানের পরমাণু স্থাপনায় অন্তর্ঘাত চালিয়েছে এবং বোমা হামলা করেছে। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের এই পুরস্কার ভবিষ্যতে আরো হত্যাকাণ্ড, অপরাধ ও আগ্রাসনে সহযোগী সংগ্রহের উদ্যোগ ছাড়া কিছু নয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, কোনো সরকার, সরকারি সংস্থা, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান—আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থাসহ—অথবা রাষ্ট্রবহির্ভূত কোনো পক্ষ তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে এ ধরনের অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করলে আন্তর্জাতিক আইনে তাদের দায় বহন করতে হবে। যারা জেনেশুনে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে এসব অপরাধে সহায়তা করবে, মূল অপরাধীদের পাশাপাশি তাদেরও ব্যক্তিগত ফৌজদারি দায় নিতে হবে। পুরস্কার ঘোষণা করলেই অপরাধে সহযোগিতার দায় মুছে যায় না, দায়মুক্তিও পাওয়া যায় না। জবাবদিহি নিশ্চিত বলেও সতর্ক করেছে ইরান। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমাদের শহীদ বিজ্ঞানীরাই আমাদের সাক্ষী।’
এর আগে প্রকাশিত এক খবরে যুক্তরাষ্ট্রের কথিত ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির আওতায় এ পুরস্কার ঘোষণার কথা জানানো হয়েছে। ইরানের পরমাণু কর্মসূচির সাথে যুক্ত স্থাপনা, সরঞ্জাম ও ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য চেয়েছে ওয়াশিংটন। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থাও করবে যুক্তরাষ্ট্র। সে খবর প্রচারিত হওয়ার পরই ইরান নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করল।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








