
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রথম দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে এলেন কোচ সালাহউদ্দিন। খুঁটি নাটি সব বিষয়েই কথা বললেন তিনি। উইকেট নিয়ে শুরুতেই জানালেন এই উইকেটে ভালো বল করলে বোলাররা ভালো কিছু পাবে। ব্যাটাররা পরিস্থিতি ভালোভাবে সামলেছে। টপঅর্ডার আরো ভালো করতে পারত, তাহলে আরো ভালো অবস্থানে থাকতাম। তৌহিদ হৃদকে নিয়ে দিলেন স্বস্থির খবর, ‘হৃদয় ক্রাম্প করেছিল। রাতে ঠিক হয়ে যাবে আমার মনে হয়। কাল (আজ) আবার ব্যাট করতে পারবে।’
টেস্টের ফলাফল নিয়ে সালাহউদ্দিনের কথা, ‘এই টেস্টে ফলাফল আসার সম্ভাবনা খুব বেশি। নির্ভর করছে কালকের (আজ) দিন ভালো করছি কি না। ম্যাচের যে পজিশন, হাতে সাত উইকেট আছে। আশা করব ৪০০+ রান করব। তাহলে ম্যাচে ভালো অবস্থায় থাকব। মাত্র তো খেলা শুরু, প্রথম দিন গেল। আরো চার দিন বাকি আছে। আমাদের পাঁচ দিনই ভালো খেলতে হবে। সেটা ব্যাটিং হোক, বোলিং হোক, ফিল্ডিং হোক। দুনিয়ার সব কোচ আশা করে সবাই যেন একশ/পঞ্চাশ মারে।’
সাদমানের রান নিয়ে কোচের বিশ্লেষণ, ‘সে উইকেট খুব ভালো বুঝতে পেরেছে। পুরো ইনিংস যদি দেখেন, খুব বেশি শট খেলেনি। মাঝে মধ্যে টাফ টাইম আসে, তখন আমরা লুজ শট খেলে ফেলি। সে ক্রিটিক্যাল টাইম কাটিয়ে নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখে ইনিংসটি খেলেছে। ৫০-৬০ রানের ইনিংস অনেক খেলেছে, ইদানীং লম্বা হচ্ছিল না। সে নিজেকে নিয়ে কাজ করছে। পুরো দলই নার্ভাস ছিলাম। সবাই চাচ্ছিলাম সেঞ্চুরিটা হয়ে যাক। টেস্টে তার সেঞ্চুরির সংখ্যা আরো বেশি হওয়া উচিত ছিল। এই ইনিংস তাকে পরবর্তীতে অনেক সহায়তা করবে। ও পঞ্চাশ করেও ইনিংস বড় করতে পারেনি। আমার মনে হয় ও নিজেই সমাধান খুঁজে বের করেছে। আশা করব এই ইনিংস তাকে অনেক কিছু শেখাবে। পরবর্তীতে সেঞ্চুরি করা অনেক সহজ হয়ে যাবে।’
লিটন ও মুমিনুলকে নিয়ে সালাহউদ্দিন, ‘ওরা অনেক দিন ধরেই টেস্ট খেলছে। মানুষ অনেক সময় ভুল করে, সেটা থেকে শেখে। ওরাও শিখছে। ওরা তো বাচ্চা না। আমরা হয়ত বাচ্চা মনে করে কোচিং করাই, তবে ওরা বাচ্চা না। ওরা নিজেদেরটা নিজেরা বুঝতে পারে। মুমিনুল যখন প্রতিবার একই ভুল করে তখন বুঝতে হবে কোনো না কোনো সমস্যা আছে। ওকে নিজেকেই সমস্যা বের করে সমাধান করতে হবে।’
নিজের চাকরি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি বোর্ডের এমপ্লয়ি। বোর্ডের বাইরে থাকলে অনেক কিছু বলতে পারতাম। যেহেতু বোর্ডের এমপ্লয়ি, আমাকে যখন যেখানে দেবে সেখানে কাজ করতে বাধ্য। যদি বলে কাল চলে যেতে, চলে যাবো।’
আলিসের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে কোচ জানালেন তার টেকনিক্যাল থেকে মানসিক সাপোর্ট বেশি জরুরি, ‘আমি খুব আশাবাদী। এই সময়ে মানসিক সাপোর্ট খুব জরুরি। টেকনিক্যাল থেকে মানসিক দিক বেশি। খুব খারাপ লাগছে। ওকে সময় দিতে পারছি না। তাকে মানসিকভাবে সহায়তা করা নৈতিক দায়িত্ব। তার যে প্রগ্রেস দেখছি, আমি আশাবাদী দ্রুতই সে শুধরে নেবে। শুধু আবদুর রাজ্জাকই বোধহয় পেরেছে অ্যাকশন শুধরে কার্যকর হতে। আমি আশাবাদী আলিস ঠিক হয়ে যাবে।’
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








