
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ ও বিদ্যালয় ছাড়পত্র ব্যবহার করে চাকরি নেয়ার অভিযোগ উঠেছে রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে। কিশোরগঞ্জের মহিনন্দ উচ্চবিদ্যালয়ের নাম ও প্যাড ব্যবহার করে তৈরি একটি ছাড়পত্র যাচাইয়ে ভুয়া বলে চিহ্নিত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রিপন মিয়া ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত রূপগঞ্জ ইউএনও কার্যালয়ে মাস্টাররোলে পিয়ন হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরে ২০১৫ সালে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগের সময় তিনি জাল কাগজপত্র জমা দিয়ে স্থায়ী নিয়োগ পান বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করে তৈরি ছাড়পত্রে রিপন মিয়াকে ২০০৯ সালের নবম শ্রেণীর নিয়মিত শিক্ষার্থী দেখানো হয়। এতে তার জন্মতারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৫ এবং বাবা-মায়ের নাম যথাক্রমে রাজা মিয়া ও রানী আক্তার উল্লেখ করা হয়েছে।
নথি অনুযায়ী, ছাড়পত্রটির সত্যতা যাচাই করা হয় ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট। যাচাইয়ের পর সেটিকে সম্পূর্ণ ভুয়া বলে উল্লেখ করা হয়। তবে এই ছাড়পত্রের ভিত্তিতেই চাকরি নেয়া হয়েছিল কি না, তা সংশ্লিষ্ট নিয়োগ নথি পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
অভিযোগ অস্বীকার করে রিপন মিয়া বলেন, তিনি সঠিক কাগজপত্র দিয়েই অফিস সহায়ক পদে চাকরি নিয়েছেন। একটি মহল তার চাকরি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে তিনি দাবি করেন।
রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আব্দুল্লাহ বিন শফিক বলেন, জাল সনদ দাখিলের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে। প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








