নোট ও গাইড ব্যবসায়ীদের সতর্ক করলেন শিক্ষামন্ত্রী

 নিজস্ব প্রতিবেদক

Advertisement

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন নোট ও গাইড ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে বলেছেন, যেসব শিক্ষক লাগামহীনভাবে নোট এবং গাইডে নিজেরা প্রশ্ন ও উত্তর লিখে ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে মোটা অঙ্কের টাকার সম্মানী নিতেন সেই পথ বদ্ধ হচ্ছে। 
মন্ত্রী বলেন, আমরা ইতোমধ্যে একটি জরিপ পরিচালনা করে দেখেছি যে, বোর্ড পরীক্ষায় খাতায় দেখার কাজে শিক্ষকরা যতটা না যতœশীল তার চেয়ে অধিক মনোযোগ তাদের গাইড নোট এর কাজ করায়। আর এজন্যই এসএসসি পরীক্ষার যত শিক্ষার্থী ফেল করেছে ঠিক তার চেয়ে বেশি খাতা তারা চ্যালেঞ্জও করেছে। এতেই প্রমাণ হয় শিক্ষকরা খাতা দেখায় মনোযোগ দেন না। তবে আমরা এই শিক্ষকদের চিহ্নিত করতে পেরেছি। এখন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর নোই গাইড ব্যবসায়ীদের বলব, আপনারা সতর্ক ও সাবধান হয়ে যান। সামনে আপনাদের জন্য কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। 
গতকাল বুধবার বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এ কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, এবার ১৯ লাখ ছাত্রছাত্রী পরীক্ষা দিয়েছে, ১২ লাখ পাস করেছে। আবার ১৩ লাখ খাতা রিএক্সামিন করার জন্য আবেদনও জমা হয়েছিল। পরে অনেকের ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে। ৫ হাজার শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছে। জিপিএ পাঁচ নতুন করে পেয়েছে অনেকে। আর এসব হয়েছে শিক্ষকরা নোট-গাইডের কাজে ব্যস্ত থাকার কারণেই। 
এখন সব এআই-বেইজড হয়ে গিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গাইড বইওয়ালারা একটু সাবধানে থাকবেন, এবারে কিন্তু তড়িঘড়ি করে লাখ লাখ কপি ছাপাবেন না! এবার কিন্তু ধরা খাবেন, নিশ্চিত বলে দিচ্ছি, ধরা খাবেন। মন্ত্রী আরো বলেন, আমি রিসার্চ করে বের করেছি কোন কোন টিচারের প্রশ্ন গাইড বইয়ে পাওয়া যায়। সেই টিচারদের আর প্রশ্ন করতে দেবো না। দয়া করে গাইড বই মালিকরা আমার কথাটা শুনে নেন। লটারি খেলবেন সাবধানে। প্রশ্ন পাওয়া বড় দুষ্কর ব্যাপার।