
নিজস্ব প্রতিবেদক
দৈনিক নয়া দিগন্তের বস্তুনিষ্ঠ ও দেশকল্যাণমুখী সাংবাদিকতার প্রশংসা করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি বলেছেন, নয়া দিগন্ত কাউকে ধ্বংস করার জন্য সংবাদ পরিবেশন করে না। বরং দেশের কল্যাণের জন্য সংবাদ প্রকাশ করে। পত্রিকাটির এই সাংবাদিকতা সত্যিই কৃতিত্বের দাবি রাখে।
গতকাল রোববার দৈনিক নয়া দিগন্তের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পত্রিকাটির কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পত্রিকাটির সম্পাদক সালাহউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, নির্বাহী সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলী, নগর সম্পাদক আশরাফুল ইসলামসহ পত্রিকার সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
পত্রিকাটির সাথে নিজের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন বকুল। স্মৃতিচারণা করেন নয়া দিগন্তের প্রথম সংখ্যা হাতে পাওয়ার দিনের। পত্রিকাটির সংবাদ পরিবেশনা, কলাম সাজানোর ধরন এবং শিরোনামের বৈশিষ্ট্য নিয়েও কথা বলেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, নয়া দিগন্তের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়ে এবং এ আয়োজনে অংশ নিতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছেন।
স্মৃতিচারণ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পত্রিকাটি প্রথম যেদিন প্রকাশিত হয়, সেদিন সকালের কথা এখনো মনে আছে। সকালে গ্রামের বাড়িতে প্রথম সংখ্যাটি তার মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল। বিশেষ করে পত্রিকার পৃষ্ঠাসজ্জা, কলাম বিন্যাস এবং শিরোনাম তাকে আকৃষ্ট করেছিল। শিরোনামগুলো যেভাবে উপস্থাপন করা হতো, তা তার দৃষ্টি কেড়েছিল।
তিনি বলেন, নয়া দিগন্তের কলামগুলো সাজানোর ধরন আমার ভালো লেগেছিল। বিভিন্ন শিরোনাম ব্লক লেটারে বিশেষভাবে হাইলাইট করা হতো। শিরোনাম উপস্থাপনার সেই বৈশিষ্ট্য প্রথম দিন থেকেই পত্রিকাটির প্রতি আমার আগ্রহ তৈরি হয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশের পর থেকেই নিয়মিত এটি পড়ার চেষ্টা করি। সেই অভ্যাস এখনো বজায় রয়েছে। এখনো প্রতিদিন পত্রিকাটিতে একবার হলেও চোখ বুলান। পত্রিকাটির সংবাদ ও অন্যান্য বিষয় তিনি নিয়মিত দেখেন। একটি সংবাদপত্রের সাথে দীর্ঘদিনের এমন সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে তিনি নয়া দিগন্তের প্রতি নিজের আন্তরিকতার কথাও তুলে ধরেন। তার বক্তব্যে পত্রিকাটির প্রতি দীর্ঘদিনের পাঠক হিসেবে আগ্রহ ও আস্থার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পত্রিকাটিতে অনেক বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পাওয়া যায়। দেশের স্বার্থ ও কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা গুরুত্বপূর্ণ। নয়া দিগন্ত সেই দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে।
তিনি বলেন, কাউকে ধ্বংস করার জন্য নয়, বরং দেশের কল্যাণের জন্য সংবাদ পরিবেশন করা উচিত। নয়া দিগন্তের সংবাদ পরিবেশনার মধ্যে তিনি সেই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দেখতে পান। এ ধরনের সাংবাদিকতা প্রশংসার দাবি রাখে। একটি সংবাদপত্রের দায়িত্ব শুধু সংবাদ প্রকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে বস্তুনিষ্ঠতা ও জনস্বার্থকে গুরুত্ব দেয়াও জরুরি।
তিনি নয়া দিগন্তের এই ইতিবাচক ধারার প্রশংসা করেন। নয়া দিগন্তের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পত্রিকাটির সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের অভিনন্দন জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি চান, নয়া দিগন্ত তার ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য ধরে রাখুক। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের যে ধারা পাঠকের কাছে পত্রিকাটিকে পরিচিত করেছে, তা যেন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকে। পত্রিকাটির সংবাদ পরিবেশনায় গুণগত মান বজায় রাখার বিষয়টিকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








