
নিজস্ব প্রতিবেদক
গত ১০ অক্টোবর সৌদি আরবের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশী কর্মী মো: শাহেদ আহম্মদের লাশ দেশে পৌঁছেছে।
গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় তার লাশ বহনকারী বিমানটি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে শাহেদের লাশ গ্রহণ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুততম সময়ে লাশ দেশে আনা সম্ভব হয়েছে। নিহত শাহেদ আহমেদ বগুড়ার শাহজাহানপুরের বাসিন্দা ছিলেন এবং তার দু’টি সন্তান রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত নিহত প্রবাসীদের মধ্যে ১১তম লাশ হিসেবে শাহেদের লাশ দেশে আনা হলো।
নিহতের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে নিহতের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকার অনুদান দেয়া হয়েছে এবং লাশ গ্রামে পৌঁছে দেয়ার জন্য বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সম্প্রতি সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে সরকারি পত্র পাঠানো হয়েছে। তবে প্রতিটি দেশের নিজস্ব বিচারব্যবস্থা রয়েছে এবং কারাবন্দীদের দেশে ফেরত আনতে অনেক আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। ওই ঘটনাটি মূলত ২০২৩ সালের।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কারাগারে প্রায় সাড়ে সাত হাজার বাংলাদেশী বন্দী রয়েছেন। কোনো নাগরিকের সাজা হওয়ার খবর পাওয়া মাত্রই তাকে আইনি সুরক্ষার মাধ্যমে বাঁচানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হয়।
প্রবাসী কর্মীদের উদ্দেশে শামা ওবায়েদ আহ্বান জানান, বিদেশে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট দেশের আইনকানুন ভালোভাবে জেনে নেয়া উচিত। মিশনগুলো এসব সমস্যা নিরসনে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
এ দিকে বিদেশে কর্মী নিয়োগের খরচ বৃদ্ধি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালদের কারণেই অভিবাসন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে নির্দেশ দিয়েছেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








