
বগুড়া অফিস
নাম তার ডলার। পুরো নাম সৈয়দ ফজলে রাব্বী ডলার। তিন দশকের বেশি সময় ধরে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় কাজ করছেন। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই তার আরেক নেশা ডাকটিকিট, দেশী-বিদেশী মুদ্রা, ব্যাংক নোট ও কয়েন সংগ্রহ। সেই নেশা সাংবাদিক পরিচয়ের পাশাপাশি তাকে সংগ্রাহক হিসেবেও আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।
সাংবাদিকতার ব্যস্ততার ফাঁকে সময় দেন এই সংগ্রহকর্মে। তার ভাষ্য, ডাকটিকিটের প্রচার কম বলে মানুষ এ সম্পর্কে ঠিকমতো জানে না। ফলে বছরে কোটি কোটি টাকার ডাকটিকিট অবিক্রীত থেকে যায়।
ডলারের সংগ্রহে রয়েছে প্রায় পাঁচ হাজার ডাকটিকিট এবং প্রায় ৫০টি দেশের মুদ্রা ও ব্যাংক নোট। তার দাবি, স্বাধীনতার আগে ও পরের প্রায় সব ধরনের দুর্লভ ডাকটিকিট তার কাছে আছে। এ ছাড়া শতাধিক দেশের মূল্যবান ডাকটিকিটও আছে সংগ্রহে।
স্থানীয়ভাবে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে হওয়া শিশুমেলা ও ডাকটিকিট প্রদর্শনীতে তার সংগ্রহ স্থান পেয়েছে। প্রদর্শনীতে প্রশংসা কুড়িয়েছেন, পুরস্কারও পেয়েছেন। তার এই কাজ তরুণ ও যুবকদের আকৃষ্ট করেছে। শখের বশে শুরু হওয়া সংগ্রহশালা দিন দিন সমৃদ্ধ হচ্ছে।
১৯৯৫ সালে সমমনা ১৭ জন যুবককে নিয়ে বগুড়া মহানগরীতে গড়ে তোলেন বগুড়া ফিলাটেলিক সোসাইটি। উত্তরাঞ্চলের একমাত্র এই ফিলাটেলিক সোসাইটির সদস্য এখন অর্ধশতাধিক। প্রত্যেকের সংগ্রহেই আছে দেশী-বিদেশী ডাকটিকিট, কয়েন ও ব্যাংক নোট। সাংবাদিকতা পেশায় তিনি সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
সংগ্রহশালা নিয়ে অনুভূতি জানাতে গিয়ে ডলার বলেন, ডাক বিভাগ আরো সচেতন হলে ডাকটিকিট বিক্রি থেকে সরকারের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আয় সম্ভব। একই সাথে তরুণ ও যুবসমাজও এ বিষয়ে আরো উৎসাহী হবে। এ ক্ষেত্রে তিনি সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা কামনা করেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








