
সংলাপ ও ঐক্যের রাজনীতিতে এ এন এম ইউছুফ ছিলেন দৃষ্টান্ত, ২০০৬ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া জাতীয় সঙ্কট মোকাবেলায় পরামর্শের জন্য এ এন এম ইউছুফের নেতৃত্বে দলটির সাথে মতবিনিময় করেছিলেন। দেশের সেই ক্রান্তিকালে মুসলিম লীগ রাষ্ট্রনীতি ও গণতন্ত্র রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল বলে মন্তব্য করেছেন দলের বর্তমান সভাপতি প্রধান অতিথির বক্তব্য অধ্যা জোবায়দা কাদের চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘মুসলিম লীগ উপমহাদেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল। এই দলের নেতৃত্বেই আমরা ১৯৪৭ সালে একটি মানচিত্র পেয়েছিলাম। বাংলাদেশের রাজনীতিতেও মুসলিম লীগ সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে এবং জাতীয় স্বার্থে সবসময় গঠনমূলক পরামর্শ দিয়েছে।
বৃহ¯পতিবার দলীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সাবেক সভাপতি এ এন এম ইউছুফের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন আবুড়ী এবং ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন জোবায়দা কাদের চৌধুরী। সভায় বক্তারা বলেন, এ এন এম ইউছুফ ছিলেন একজন দূরদর্শী, নীতিনিষ্ঠ ও দেশপ্রেমিক রাজনীতিক। তার নেতৃত্বে মুসলিম লীগ সর্বদা সংলাপ ও ঐক্যের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেছে। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকে এখন পর্যন্ত দলটি নানা দমন-পীড়ন, হামলা-মামলা ও প্রতিকূলতা সত্বেও নীতির প্রশ্নে আপসহীন থেকেছে। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজেপির কো-চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন মতিন প্রকাশ। প্রধান বক্তা ছিলেন দলীয় মুখপাত্র জহির উদ্দিন বাবর। আরো বক্তব্য রাখেন সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জসিমউদ্দিন, অ্যাডভোকেট আবু সাইদ মোল্লা, কেন্দ্রীয় নেতা তারেক জমির সজিব, সাংগঠনিক সম্পাদক এস আই ইসলাম মিলন, মহিলা মুসলিম লীগের সভানেত্রী ডা. হাজেরা বেগম দফতর সম্পাদক খন্দকার জিল্লুর রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুল খালেক, খন্দকার জিয়া উদ্দিনসহ মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। বক্তারা এ এন এম ইউছুফের আদর্শ, সততা ও দেশপ্রেম স্মরণ করে বলেন, তার রাজনৈতিক শিা বর্তমান প্রজন্মের মুসলিম লীগ নেতাকর্মীদের জন্য দিকনির্দেশনা হয়ে আছে। বিজ্ঞপ্তি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








