
ক্রীড়া প্রতিবেদক
জাতীয় লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে কক্সবাজারে বরিশালকে ইনিংস ব্যবধানে হারিয়েছে চট্টগ্রাম। এ ছাড়া বাকি তিনটি ম্যাচই শেষ হয়েছে ড্রতে। আট বছর পর প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে সেঞ্চুরি পেয়েছেন রাজশাহীর সাব্বির রহমান। খুলনা বিভাগের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে ১১৩ রান করেছেন রাজশাহী বিভাগের এই ব্যাটার। এই সংস্করণে ৮৪ ম্যাচ খেলে এটি তার মাত্র পঞ্চম সেঞ্চুরি।
মিরপুরে গতকাল খুলনার বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে সাব্বিরের দারুণ ব্যাটিং করে ম্যাচও বাঁচিয়েছে রাজশাহী। প্রথম ইনিংসে ১১৯ রানে অলআউট দলটি দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ৫০০ রান তোলার পর ড্র মেনে নেয় দুই দল। তিন উইকেটে ৩০০ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিল রাজশাহী। সাব্বিরের রান ছিল ২১, অধিনায়ক প্রিতম কুমারের ২৭। প্রিতম ৪৪ রান করে ফিরে যান। নবম ব্যাটার হিসেবে সাব্বির আউট হন দলীয় ৪৭৪ রানে। ২২১ বলের ইনিংসে ৮টি চার ও ১টি ছক্কা মেরেছেন সাব্বির।
কক্সবাজারে ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কা নিয়ে শেষ দিনটা শুরু করেছিল বরিশাল বিভাগ। শঙ্কাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হলো। ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে বরিশাল। ইনিংস ও ১ রানে হার বরিশালের। ৪ উইকেটে ১৪৯ রান নিয়ে দিন শুরু করা বরিশাল প্রথম সেশনে উইকেট হারায়নি। আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটার রাফসান আল মাহমুদ ও মঈনুল ইসলাম যেভাবে ব্যাটিং করছিলেন, মনে হচ্ছিল চট্টগ্রামকে আবার ব্যাটিংয়ে নামতে হচ্ছে। ৪ উইকেটে ২২৬ রান নিয়ে মধ্যাহ্নবিরতিতে যায় বরিশাল। শেষ পর্যন্ত অলআউট ২৯৩ রানে। চট্টগ্রামের বাঁহাতি স্পিনার আশরাফুল হাসান রোহান ৭৭ রানে নেন ৫ উইকেট।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শেষ দিনে সেঞ্চুরি পেয়েছেন সিলেট বিভাগের আশরাফুল হাসান রিহাদ (১১২) ও ঢাকা বিভাগের আশিকুর রহমান (১০১*)। তার পরও ড্র করেছে তাদের দল। ৫ উইকেটে ৪৩১ রান নিয়ে দিন শুরু করা সিলেটের প্রথম ইনিংস থামে ৪৯৬ রানে। ঢাকার লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম পেয়েছেন ৫ উইকেট। এরপর ৬ উইকেটে ২১৯ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে ঢাকা। ২৭১ রানের লক্ষ্যে ঢাকা দ্বিতীয় ইনিংসে ২ ওভারে ১ উইকেটে ২ রান তোলার পর ড্র মেনে নেয় দুই দল।
সিলেট একাডেমি মাঠে ম্যাচ জিততে ৩৭৩ রানের লক্ষ্য পায় ময়মনসিংহ। ৮০ ওভারের মতো হাতে ছিল দলটির। তবে দলটি ৪ উইকেটে ১৮৯ রান তোলার পর ড্র মেনে নেয় দুই দল।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








