
ক্রীড়া ডেস্ক
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে দাপুটে জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ডারবানে স্বাগতিকদের ২১৪ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল প্যাট কামিন্সের দল। অস্ট্রেলিয়ার জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন পেসার জশ হ্যাজেলউড। দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৯ রান দিয়ে ছয় উইকেট শিকার করেন তিনি। ম্যাচের শেষ দিনে গতকাল দ্বিতীয় ইনিংস ২০৬ রানে গুটিয়ে যায় প্রোটিয়ারা। এতে বড় ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয় অস্ট্রেলিয়ার।
কিংসমিডে প্রথম ইনিংসে ৩৯০ রান সংগ্রহ করেছিল অস্ট্রেলিয়া। জবাবে প্রথম ইনিংসে ২৮৪ রানে দক্ষিণ আফ্রিকা অলআউট হলে ১০৬ রানের লিড পায় সফরকারীরা। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ছয় উইকেটে ৩১৪ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। এতে জয়ের জন্য স্বাগতিকদের সামনে ৪২১ রানের কঠিন লক্ষ্য দাঁড়ায়। চতুর্থ দিন শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ছিল চার উইকেটে ১০২ রান। পঞ্চম দিনে জয় পেতে হলে অস্ট্রেলিয়াকে নিতে হতো বাকি ছয় উইকেট। অন্য দিকে স্বাগতিকদের লক্ষ্য ছিল ব্যাটিংয়ে প্রতিরোধ গড়ে ম্যাচ বাঁচানো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হ্যাজেলউডের তোপে বাকি কাজটা সহজেই করে ফেলে সফরকারীরা।
পঞ্চম দিনের শুরুতে গতকাল ধৈর্যের সাথে ব্যাটিং করেন এইডেন মার্করাম ও ওয়ান মুল্ডার। পঞ্চম উইকেটে দু’জনের জুটিতে যোগ হয় ৬৯ রান। তবে মুল্ডারকে ২৯ রানে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন হ্যাজেলউড। এরপর দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে দক্ষিণ আফ্রিকা। কাইল ভেরেইনের ব্যাট থেকে আসে এক রান। মিচেল স্টার্কের বলে উইকেটরক্ষক অ্যালেক্স ক্যারির হাতে মার্করাম ধরা পড়লে প্রোটিয়াদের প্রতিরোধের অবসান ঘটে। ২৩৭ বল মোকাবেলায় ৭৫ রান করেন তিনি। শেষের দিকে হ্যাজলউডের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৩৫ রান করেন মার্কো জনসেন। আর সাইমন হারমার ও অ্যানরিখ নর্টজেকেও ফিরিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস শেষ করেন অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা।
দলের বিপর্যয়ের মুহূর্তে প্রথম ইনিংসে ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে ১৯০ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে বল হাতেও দুই উইকেট নিয়ে দলের জয়ে অবদান রেখে ম্যাচসেরা হন ম্যাট রেনশ। গত বছর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারের পর এই জয় অস্ট্রেলিয়ার জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে ১৮ অক্টোবর সেন্ট জর্জেস পার্কে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








