
আদমদীঘি (বগুড়া) সংবাদদাতা
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় ৯৮টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৭টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। প্রশাসন ও শ্রেণী পাঠদান চলছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে। ফলে শিক্ষকদের শিক্ষাদান বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে সত্বর এসব প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে শিক্ষাদানের পথ সুযোগ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, অত্র আদমদীঘি উপজেলায় ৯৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষক রয়েছে মাত্র ৪১টি বিদ্যালয়ে। অবশিষ্ট ৫৭ বিদ্যালয়ে রয়েছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। এ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষক রয়েছে ৫৬২ জন। শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১২ হাজার। যে ৫৭টি বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রয়েছে সেসব বিদ্যালয়ে চেন অব কমান্ড অত্যন্ত দুর্বল। ফলে শিক্ষাদানে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয় বলে অভিভাবকরা অভিযোগ করেন।
এ ছাড়া দীর্ঘ দিন থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি না থাকায় বিদ্যালয়ে অভিভাবকদের তদারিক ছিল না। সম্প্রতি ম্যানেজিং কমিটি গঠন সমাপ্ত হওয়ায় শিক্ষাব্যবস্থায় কিছুটা পরিবর্তন হলেও ৫৭টি বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কারণে শিক্ষাদানে জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে শিক্ষাব্যবস্থার কাঠামো ভেঙে পড়ছে। এ ছাড়া ভারপ্রাপ্ত শিক্ষকরা প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক চাপ সামাল দিতে হিমসিম খাচ্ছেন, যা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি করছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবদুর রহিম প্রধান জানান, বর্তমান সরকার শিক্ষা ক্ষেত্রে যথেষ্ট আন্তরিক। অচিরে পদোন্নতি ব্যবস্থা চালু করলে এ সমস্যা কেটে যাবে। প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হলে শ্রেণী পাঠদান বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








