
কূটনৈতিক প্রতিবেদক
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, মক্কা-মদিনা সারা বিশ্বের মুসলমানদের কাছে ঐক্যের জায়গা। এটা সাধারণ কোনো কূটনীতির বিষয় নয়। বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। এ ক্ষেত্রে আমাদের আবেগ কাজ করে। মক্কা বা মদিনার ওপর কোনো হুমকি এলে আমরা বসে থাকব না। অবশ্যই আমরা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবো।
গতকাল রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) আয়োজিত একটি সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এক সাংবাদিক জানতে চান, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশ ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। যদি এ মুহূর্তে সৌদি আরবের প্রয়োজন হয় এবং তারা আমাদের কাছ থেকে সৈন্য চান, আমরা কি সৈন্য পাঠাবো? জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশ এখনো মক্কা জোটে যোগ দেয়নি। আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে যদি জোটে যোগ দেই তাহলে সৈন্য পাঠানোর প্রশ্ন আসবে। তবে সৌদি আরবের সাথে আমরা একাত্মতা প্রকাশ করেছি। আমরা চাই অবিলম্বে এমন হামলা বন্ধ হোক। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তরফে সৌদি ক্রাউন প্রিন্সকে একটি চিঠিও দেয়া হয়েছে। আমরা সৌদি আরবের সাধারণ মানুষ এবং সরকারের পাশে আছি।
সৌদির মূল তেল শোধনাগার লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে হাউছি বিদ্রোহীরা। এতে তেল সরবরাহের স্বাভাবিকতা ব্যাহত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি বাংলাদেশের জন্য মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জ্বালানি সহযোগিতার ওপর কোনো প্রভাব পড়বে কি না- জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ মুহূর্তে আমরা কোনো অসুবিধা দেখছি না। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা কাজ করছি। জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বর্তমানে সৌদি আরবে আছেন। সেখানে তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ করেছেন।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, জ্বালানি মন্ত্রণালয় যে প্রস্তুতি নিয়েছে তাতে কোনো সমস্যা হবে না। তবে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের প্রভাব জ্বালানীতে পড়লে শুধু বাংলাদেশ আক্রান্ত হবে- বিষয়টি এমন নয়। সারা বিশ্বেই এর প্রভাব পড়বে।
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে দিল্লিতে বিরোধীদের চলমান আন্দোলন নিয়ে বাংলাদেশ কোনো মন্তব্য করতে রাজি নয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্ত্রর-মন্ত্ররে সমাবেশের ডাক দেয় তরুণদের নবগঠিত রাজনৈতিক মোর্চা ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। কংগ্রেসসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো এতে সমর্থন জানায়। তবে বড় ধরনের সহিংসতা ছাড়াই গণগ্রেফতারের মাধ্যমে ভারতের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








