
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে এক অজ্ঞাতপরিচয় (৩৫) যুবককে ফেলে রেখে পালিয়ে গেছে দুই ব্যক্তি। পরে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গতকাল শুক্রবার হাসপাতাল চত্বরে রহস্যজনক কায়দায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের নাম-পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ঢামেক জরুরি বিভাগের ট্রলিম্যান মোহাম্মদ পারভেজ মোশারফ জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে দুইজন ব্যক্তি ওই যুবককে অচেতন অবস্থায় জরুরি বিভাগের সামনে নিয়ে আসে। যুবকটিকে জরুরি বিভাগে নেয়ার প্রস্তুতির সময় ওই দুই ব্যক্তি ট্রলিম্যানকে উদ্দেশ করে বলে- ‘আমি টিকিট নিয়ে আসি’; কিন্তু টিকিট কাটার কথা বলে তারা দুইজন সুকৌশলে জরুরি বিভাগ থেকে পালিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তারা ফিরে না আসায় আশপাশে অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাদের আর পাওয়া যায়নি। অচেতন যুবকটিকে ট্রলিতে করে দ্রুত জরুরি বিভাগের ভেতরে নেয়া হলে চিকিৎসক পরীক্ষানিরীক্ষা শেষে বেলা ৩টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে জানান, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে এবং পুরো বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেও অবগত করা হয়েছে। দুই ব্যক্তি ওই যুবককে হাসপাতালে নিয়ে এসে টিকিট কাটার বাহানা করে পালিয়ে যায়। তিনি কিভাবে অচেতন হলেন, এটি কি কোনো পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো ঘটনা-তা উদ্ঘাটনে হাসপাতাল প্রাঙ্গণের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করে পালিয়ে যাওয়া ওই দুই ব্যক্তিকে শনাক্ত করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এ দিকে রাজধানীর মিন্টো রোডে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের পাশে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি সিএনজিচালিত রিকশা আইল্যান্ডে ওঠে সানোয়ার হোসেন (৫০) নামে চালকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে নিহতের পকেট থেকে কিছু টাকা এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখে জানা যায় তার নাম সানোয়ার হোসেন।
অন্য দিকে রাজধানীর ভাটারার সাঈদনগরে বহুতল ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে পড়ে মোহাম্মদ নাঈম (২৩) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সকাল ৬টার দিকে সাঈদনগর বড় মসজিদের পাশের একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নাঈম বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাবার নাম মোস্তাফিজুর রহমান।
নিহতের সহপাঠী মাজহারুল জানান, আজ সকালের দিকে দ্বিতীয় তলার বেলকুনি থেকে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন নাঈম। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ফরাজি হাসপাতাল ও পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক সকাল ৯টার দিকে জানান তিনি আর বেঁচে নেই।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








