বিশ্বসেরাদের সামনে আজ টাইগ্রেসরা

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ

Advertisement

দুই মাস ব্যবধানে দুইবার অস্ট্রেলিয়ার মাঠে সিরিজ খেলছে বাংলাদেশ। আগস্টে ছেলেদের পর এবার অসিদের আস্তানায় বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। আজ ব্রিসবেনের অ্যালান বোর্ডার ফিল্ডে সকাল ৯.৫০ শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া নারী দলের তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটি। সিরিজের তিনটি ম্যাচই হবে ব্রিসবেনের অ্যালান বোর্ডার ফিল্ডে। ১১, ১৪ অক্টোবর হবে শেষ দুই ওয়ানডে। সেই দু’টি ম্যাচও ৯টা ৫০ মিনিটে শুরু হবে। এখন পর্যন্ত দুই দল ছয় ওয়ানডে, পাঁচ টি-২০তে মুখোমুখি হয়েছে। সব ম্যাচেই বাংলাদেশ হেরেছে।
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটে এখন পরিবর্তনের সময়। অধিনায়কত্বে বদলের আভাস, কোচিং স্টাফে পরিবর্তন-সব মিলিয়ে নতুন একটা অধ্যায়ে পা দিয়েছে দল। সেই নতুন অধ্যায়ের প্রথম বড় পরীক্ষাই আবার ক্রিকেটের সবচেয়ে কঠিন মঞ্চগুলোর একটিতে। প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, তাদের মাটিতে প্রথম দ্বিপক্ষীয় সিরিজ, আর সিরিজটি আইসিসি ওমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ! এই সিরিজ দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে নতুন এক অভিজ্ঞতার দরজা খুলবে বাংলাদেশের মেয়েদের সামনে।
গতকাল অধিনায়ক জ্যোতি সংবাদ সম্মেলনে এলে তাকে মনে করিয়ে দেয়া হয়েছে ছেলেদের ঐতিহাসিক অস্ট্রেলিয়া-বধের ঘটনা। অধিনায়ক বলেন, ‘আমি মনে করি বর্তমান পরিস্থিতিতে থাকাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সত্যিই আশাবাদী যে আমরা একটি সম্পূর্ণ ইউনিট হিসেবে খেলতে পারব। কারণ, বিশ্বাস করি যে আমরা এমন একটি দল, যারা দলগতভাবে খেললে এবং একটি পূর্ণ ইউনিট হিসেবে পারফর্ম করলে যেকোনো দলকে চমকে দিতে পারি।’
দলের দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথম সিরিজেই হেড কোচ ডেভিড হেম্পের সামনে এমন প্রতিপক্ষ, যাদের বিপক্ষে বাংলাদেশের অতীত রেকর্ড খুব একটা স্বস্তির নয়। অস্ট্রেলিয়া শুধু শক্তিশালী দলই নয়, ওয়ানডে ও টি-২০-দুই সংস্করণেই রথ্যাংকিংয়ের শীর্ষে। ফলে পরিসংখ্যানের পাল্লা যে বাংলাদেশের বিপক্ষে ভারী, সেটি নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই! ফলাফল কিংবা প্রতিপক্ষের শক্তি নিয়ে অতিরিক্ত ভাবনায় না গিয়ে তিনি বরং দলের মানসিক প্রস্তুতিকেই সামনে রাখছেন হেম্প, ‘আমরা যে বিশ্বের সেরা নারী দলের বিপক্ষে খেলছি, সেটা অস্বীকার করার উপায় নেই। ওয়ানডে ও টি-২০ দুই সংস্করণেই তারা এক নম্বর দল। বড় চ্যালেঞ্জ হবে বিষয়টা মানসিকভাবে গ্রহণ করা।’