
ক্রীড়া প্রতিবেদক
কোচ টমাস টুলির মুখে আগে থেকেই ফিফা আসিয়ান কাপ সাফ ফুটবলের প্রস্তুতির মোড়ক দেয়া। ফলে এই আসিয়ান কাপে আগের দুই ম্যাচের ব্যর্থতা নিয়ে সমালোচনা করার রাস্তাটা কিছু হলেও আটকে দিয়েছেন তিনি। এরপরও যে দুই দলের বিপক্ষে জয়ের আশা করা হয়েছিল সেই মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের কাছে হার কিন্তু আসিয়ান কাপ থেকে ছিটকে দিয়েছে বাংলাদেশ দলকে। ফলে আজ নিয়মরক্ষার ম্যাচ ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে। গ্রুপে চার দলের মধ্যে হাই র্যাংকধারী দল এই ইন্দোনেশিয়া। ফিফার সর্বশেষ র্যাংকিংয়ে ইন্দোনেশিয়া আছে ১১৭ এ। সেখানে বাংলাদেশ আছে ১৮২তে। দেশটির বিপক্ষে সর্বশেষ মোকাবেলায় বাংলাদেশের গোলশূন্যতে ড্র করার সুখ স্মৃতি। তা এই জাকার্তার মাঠেই। আজ কি জামাল ভূঁইয়া-হামজা চৌধুরীরা সেই সুখ স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে পারবেন। নাকি আরেকটু এগিয়ে ৪১ বছর আগের জয়ের মুহূর্ত ফিরিয়ে আনবেন লাল-সবুজরা। অবশ্য শেষটা এই দুই রেজাল্টের যে কোনো একটি হলেই প্রথম ফিফা আসিয়ান কাপের সমাপ্তিটা সুখকর হবে। বিপরীতে বড় হারের শঙ্কাও আছে। তাহলে টানা হার নিয়েই ফিরতে হবে। সব উত্তরই জানা যাবে আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হওয়া ম্যাচের পর। খেলা দেখাবে টি-স্পোর্টস।
আগের দুই দিনের মতো আজও বাংলাদেশের খেলা জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে। তবে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার দিন স্টেডিয়ামের গ্যালারির ৯৯ শতাংশই ছিল ফাঁকা। আজ ৭৭ হাজার ১৯৩ জন দর্শক ধারণক্ষমতার এই স্টেডিয়ামে যে তিল ধরনেরও ঠাঁই থাকবে না এটা নিশ্চিত। ফলে বাংলাদেশ দলকে আজ শক্তিশালী প্রতিপক্ষটির পাশাপাশি গ্যালারির প্রতিকূল পরিবেশের সাথেও লড়াই করতে হবে।
এ পর্যন্ত আসিয়ান অঞ্চলের এই দেশটির বিপক্ষে বাংলাদেশ ম্যাচ খেলেছে সাতটি। এর মধ্যে একমাত্র জয় ১৯৮৫ সালে ঢাকার মাঠে। বিশ^কাপ বাছাইয়ের সেই ম্যাচে লাল-সবুজরা জিতেছিল ২-১ গোলে। দলটির বিপক্ষে দুই ড্রয়ের ঘটনার প্রথমটি সেই ১৯৮৫ সালেই পাকিস্তানের কায়েদ ই আজম ট্রফিতে। ১-১ গোলে শেষ হয়েছিল সেই খেলা। ২০২২ সালের ফিফা প্রীতি ম্যাচের ফল ছিল গোলশূন্য।
চার বছর আগে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে সেই ম্যাচে দলে ছিলেন জামাল ভূঁইয়া, সিনিয়র সোহেল রানারা। গতকাল বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া জানান, ‘ইন্দোনেশিয়া দুই স্ট্রাইকার নিয়ে খেলে। শক্তিশালী দল তারা। এদের বিপক্ষে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’ এরপর জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে বলেন , যেকোনো কিছু হতে পারে ম্যাচে। অবশ্যই আমরা জিততে চাই। ভালো পারফরম্যান্স প্রদর্শন করতে চাই।
কোচ টমাস ডুলির মুখেও জয়ের কথা। তবে তা যে বলার জন্য বলা সেটাও পরিষ্কার হলো। তার মতে, ইন্দোনেশিয়া অনেক শক্তিশালী। তাদের জার্মানি, নেদারল্যান্ডস ও ইতালি লিগে খেলোয়াড় আছে। এমন দলের কাছে ৪/৫ গোলেও হারতে পারি। এরপরও আমরা আমাদের সেরাটা দিতে চাই। অবশ্যই জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নামবো। জানান, এই আসর আমাদের জন্য সাফের প্রস্তুতি।
_GDN_970x90px_English.gif&w=2048&q=75)








