
ঢাকার মিরপুরের কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উন্নত জাতের মুরগির বাচ্চা (ডিওসি) উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। একইসাথে খামারের ব্যবস্থাপনা আরো কার্যকর করা, অনুপযোগী শেড দ্রুত সংস্কার এবং জনবল সঙ্কট নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) আকস্মিকভাবে কেন্দ্রীয় মুরগি খামার পরিদর্শনে গিয়ে এসব নির্দেশনা দেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
পরিদর্শনকালে তিনি খামারের বিভিন্ন শেড, হ্যাচারি, ফিড কারখানা ও অন্যান্য কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।
উন্নত জাতের মুরগির বাচ্চা উৎপাদন, বাচ্চা ও ডিম বিক্রি এবং মুরগির খাবার উৎপাদনসহ সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে অবহিত হন তিনি।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, উন্নয়নের জন্য যেসব প্রকল্প নেয়া হয়েছে, সেগুলোর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। খামারের ব্যবস্থাপনা সুন্দর ও কার্যকর করার পাশাপাশি উৎপাদন আরো বাড়াতে হবে।
তিনি বলেন, এখান থেকে উৎপাদিত মুরগির বাচ্চা প্রান্তিক খামারিরা সংগ্রহ করে লালন-পালন ও বিক্রি করেন। ফলে বাচ্চার উৎপাদন যত বাড়বে, প্রান্তিক খামারিরাও তত বেশি লাভবান হবেন। এর মাধ্যমে দেশের প্রাণিজ প্রোটিনের চাহিদা পূরণেও ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ খামারে বাচ্চার উৎপাদন বাড়ানো গেলে বাজারে বাচ্চার সঙ্কট ও অস্থিতিশীলতা কমাতে সহায়তা করবে। এজন্য উন্নত জাতের বাচ্চা উৎপাদন ও প্রান্তিক খামারিদের মধ্যে সরবরাহ কার্যক্রম আরো জোরদার করতে হবে।
পরিদর্শনকালে কয়েকটি মুরগি ও বাচ্চা পালনের শেড ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় সেগুলো দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী। পাশাপাশি জনবল সঙ্কট দূর করার বিষয়েও দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন তিনি।
এ সময় কর্মচারীরা যথাসময়ে অফিসে আসছেন কি না এবং উপস্থিতির হার কেমন— সেসবও তদারকি করেন প্রতিমন্ত্রী। খামারের উন্নয়নে নেয়া বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি ও বাস্তবায়ন পরিস্থিতিও তিনি পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো: শাহজামান খান, কেন্দ্রীয় মুরগি খামারের পরিচালক জিনাত সুলতানা, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহিম, সহকারী পরিচালক (গোট ফার্মস) ডা: কবির উদ্দিন আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাসস







