অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, সেঞ্চুটি, লিড, টেস্ট, জস ইংলিস
অস্ট্রেলিয়া বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট ম্যাচের একটি দৃশ্য। সংগৃহীত

জস ইংলিসের সেঞ্চুরিতে ১০০ রানের লিড পেলেও দিন শেষে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে রাখতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৪ উইকেটে ১৪০ রান তুলে লড়াইয়ে ফিরেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। 

Advertisement

দিন শেষে তাদের পুঁজি ৪০ রান, হাতে আছে ৬ উইকেট। প্রোটিয়ারা এখন তাকিয়ে ম্যাথু ব্রিটজকে ও রায়ান রিকেলটনের দিকে। চতুর্থ দিনে এই জুটি কতটা এগিয়ে নিতে পারে দলকে, ম্যাচের গতিপথে সেটিই হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ।

বৃহস্পতিবার কেপটাউন টেস্টের তৃতীয় দিন শুরু হয়েছিল ইংলিসের সেঞ্চুরির অপেক্ষা নিয়ে। আগের দিন ৮৫ রানে অপরাজিত থাকা এই ব্যাটসম্যান দিনের প্রথম ঘণ্টাতেই পৌঁছে যান তিন অঙ্কে। তবে ইনিংস বড় হয়নি।

নতুন দিনে ১৭ রান যোগ করেই আউট হন। তবে তার ১০২ রানের ইনিংস অস্ট্রেলিয়াকে এনে দিয়েছে ১০০ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড। ৪ উইকেটে ৩৩০ রান নিয়ে দিন শুরু করা অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস শেষ পর্যন্ত থেমেছে ৪২৯ রানে।

এছাড়া আগের দিনের ৫১ রানের সাথে আরো ২৯ রান যোগ করে ৮০ রানে আউট হন অ্যালেক্স ক্যারি। ইংলিস ও ক্যারি—দুজনকেই ফিরিয়েছেন সাইমন হারমার। এই প্রোটিয়া অফ স্পিনার একাই নিয়েছেন ৪ উইকেট।

এই দুজন ফিরলে আর কেউ তেমন ভালো করতে পারেননি, বলার মতো রান কেবল কোপার কনোলির (২৯)। বাকিরা ছিলেন আসা যাওয়ায় ব্যস্ত। তাতেই মাত্র ৫৯ রানে শেষ ৬ উইকেট হারায় অজিরা। লিডও বড় হয়নি।

১০০ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। ৩১ রানেই ফিরে যান এইডেন মার্করাম (১) ও ডেভিড বেডিংহাম (১১)। এরপর হাল ধরেন টেম্বা বাভুমা ও মার্কাস অ্যাকারম্যান।

তাদের ৬৪ রানের জুটি প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেয়। তবে ৬২ রান করে মিচেল স্টার্কের বাউন্সারে ক্যাচ তুলে ফেরেন অ্যাকারম্যান। পরে নাথান লায়নের বলে বোল্ড হন বাভুমা। ১১৫ বলের ইনিংসে তার রান ৩৫।

শেষ বিকেলে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে দিন পার করেন ম্যাথু ব্রিটজকে ও রায়ান রিকেলটন। তাদের প্রতিরোধে ৪ উইকেটে ১৪০ রান নিয়ে মাঠ ছাড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা।