
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় আগুনে মৃত নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার দুই প্রবাসী শ্রমিক মোহাম্মদ শামীম ও সাব্বির হোসেনের লাশ ঢাকায় পৌঁছানোর পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে তাদের লাশ নিজ গ্রাম নলডাঙ্গায় পৌঁছে।
মৃত শামীম নলডাঙ্গা উপজেলার ৩ নম্বর খাজুরা ইউনিয়নের দিঘীরপাড় গ্রামের জাকের আলীর ছেলে। অন্যদিকে, মৃত সাব্বির একই ইউনিয়নের খাজুরা শ্রীপুরপাড়া গ্রামের রাব্বানির ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে লাশ দুটি গ্রামে পৌঁছানোর পরই প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি শেষে স্থানীয় মাঠে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
ডিএনএ পরীক্ষার পর লাশ হস্তান্তর করেছে সৌদি সরকার। গত ৯ আগস্ট সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের মুসা সানাইয়া শিল্প এলাকায় অবস্থিত একটি সোফা কারখানায় এক ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই ১৬ জন বাংলাদেশী শ্রমিক নিহত হন। আগুনে তাদের শরীর মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় পরিচয় শনাক্তকরণে জটিলতা দেখা দেয়।
পরবর্তীতে সৌদি কর্তৃপক্ষ আঙুলের ছাপ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রথম দফায় নয়জনের পরিচয় নিশ্চিত করে এবং ২৭ আগস্ট তাদের লাশ বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়। তবে শামীম ও সাব্বিরসহ বাকি সাতজনের পরিচয় শনাক্তে বিলম্ব হওয়ায় তাদের স্বজনদের কাছ থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। দীর্ঘ আইনি ও চিকিৎসাসংক্রান্ত প্রক্রিয়া এবং ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট নিশ্চিত হওয়ার পর অবশেষে স্বজনদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে লাশ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।
উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘উপার্জনক্ষম স্বজনদের হারিয়ে পরিবারগুলো এখন দিশেহারা হয়ে পরেছে।’
এ সময় হুইপ অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর পক্ষ থেকে নিহতর পরিবারের জন্য সমস্ত সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








