
দীর্ঘদিনের খরা কাটিয়ে অবশেষে ভোলার চরফ্যাশনে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে রূপালি ইলিশ। মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী এবং সাগর মোহনায় গত তিন-চার দিন ধরে একেকটি নৌকায় দুই থেকে তিন মণ পর্যন্ত ইলিশ ধরা পড়ছে। এতে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে সামরাজ, বেতুয়া, ঢালচর, খেজুরগাছিয়া ও আটকপাটসহ ১৩১টি মৎস্য ঘাটে।
তবে ঘাটে ইলিশের ঢল নামলেও বাজারে এর প্রভাব নেই। সরেজমিনে দেখা যায়, এক হালি বড় ইলিশ বিক্রি হচ্ছে আট থেকে ১০ হাজার টাকা, মাঝারি সাইজ চার হাজার টাকার ওপরে, আর ছোট ইলিশও ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকায়। বর্তমানে এক কেজি ওজনের ইলিশ ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা এবং ৫০০-৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
দাম চড়া থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। হাজারীগঞ্জের টমটমচালক জামাল বলেন, ‘দিনে ৫০০-৬০০ টাকা আয় করি। এক হালি ইলিশ কিনতে তিন দিনের আয় শেষ হয়ে যায়। বাজারে যাই, শুধু তাকিয়ে ফিরে আসি।’
জেলেরা জানায়, গত দুই মাস নদীতে মাছ না পেয়ে অনেকেই ধার-দেনা করে সংসার চালিয়েছেন। এখন জাল ফেললেই ইলিশ মিলছে।
চরফ্যাশন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানান, মা ইলিশ রক্ষা ও জাটকা নিধন বন্ধের সুফল মিলছে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত বৃষ্টি ও উজানের পানির কারণে সাগর থেকে ইলিশ নদীতে প্রবেশ করছে। আগামী ৮ অক্টোবর থেকে মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলবে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








