যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা
যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা। সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিটি অঙ্গরাজ্য নিজ নিজ নির্বাচন পরিচালনা করে এবং ভোটগণনা ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য তাদের নিজস্ব নিয়ম রয়েছে।

Advertisement

কিছু অঙ্গরাজ্য নির্বাচনের দিনের আগেই আগাম দেয়া ভোট প্রক্রিয়াকরণ করে, আবার অন্যগুলো ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর তা শুরু করে।

স্থানীয় নির্বাচন কর্মকর্তারা ভোটারের পৃথক ভোট যাচাই, প্রক্রিয়াকরণ এবং গণনার কাজ করেন। এ প্রক্রিয়াকে বলা হয় ক্যানভাসিং।

বেশিভাগ অঙ্গরাজ্যে নির্বাচন-পরবর্তী একটি আনুষ্ঠানিক নিরীক্ষা বা অডিট বাধ্যতামূলক। এতে হাতে গণনা করা ব্যালটের সংখ্যা যন্ত্রের মাধ্যমে গণনা করা মোট সংখ্যার সাথে মিলিয়ে দেখা হয়। তবে এ সংক্রান্ত নিয়ম দেশজুড়ে এক নয়।

সব অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর নিয়ম রয়েছে, যেখানে নির্ধারণ করা থাকে কারা ভোট গণনার প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন, কোন ক্রমে ভোট প্রক্রিয়াকরণ হবে এবং প্রক্রিয়ার কোন অংশ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনগুলোতে ভোট গণনায় বিলম্ব হতে পারে। একইসাথে পুনর্গণনা এবং আইনি চ্যালেঞ্জের সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।

ফলাফল
যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে (জিএমটি ২৩:০০) পর প্রথম ফলাফল আসা শুরু হবে।

পরবর্তী কয়েক ঘণ্টায় ধাপে ধাপে আরো ভোটকেন্দ্র বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে প্রাথমিক ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে। কিছু অঙ্গরাজ্যের ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমগুলো আগেভাগেই এক পক্ষের জয়ের ‘ঘোষণা’ করতে পারে। তবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কাছাকাছি হলে ফলাফলের পূর্বাভাস দিতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

সামগ্রিক ফলাফল কখন স্পষ্ট হবে, তা নির্ভর করবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কতটা হাড্ডাহাড্ডি হয় এবং কোন কোন আসন শেষ পর্যন্ত নির্ধারক ভূমিকা পালন করে তার ওপর।

২০২২ সালে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরের দিন, অর্থাৎ ৯ নভেম্বরও যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছিল।

সূত্র : বিবিসি