লোড হচ্ছে...
রাজনীতি বা তাত্ত্বিক আলোচনার বাইরে সাধারণ মানুষের অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা এবং সন্তানদের সুশিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করাও মানুষের জীবনের সাথে সম্পৃক্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই গণতন্ত্রের বাস্তব সুফল মানুষের কাছে পৌঁছায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আপসহীন লড়াইয়ের কারণে এবং জনগণের পক্ষে থাকার কারণে এদেশের জনগণ বারবার বিএনপিকে পুরস্কৃত করেছে, সম্মানিত করেছে। ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে একদলীয় স্বৈরশাসন কায়েম করা হয়েছিল। ‘বাকশাল’ নামক একটি মাত্র দল করে বাকি সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সেই বাকশালের স্বৈরশাসনের ধ্বংসস্তূপের ওপর বহুদলীয় গণতন্ত্রের বাগান রচনা করেছিলেন প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম।
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলায় ভাষণ দেন। এতে তিনি বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, মানবিক সঙ্কট, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সঙ্কটসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরেন।
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের সফরে জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদ-সংশ্লিষ্ট আটটি কর্মসূচি, জাতিসঙ্ঘের সাইডলাইনে চারটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান, ১১টি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সাথে আরো কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘ওয়াল স্ট্রিটের মানুষ নন; একজন বাংলাদেশী এবং রাজনৈতিক নেতা হিসেবে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব নিয়ে এখানে এসেছি।’
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জনশক্তি, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়াদি নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পারিবারিক ধারাবাহিকতা বজায় রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্ব দরবারে নিজের মাতৃভাষায় কোটি কোটি বাংলাদেশীর আশা-আকাঙ্ক্ষা, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক চেতনার কথা তুলে ধরেছেন।
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

একইসাথে জাতিসঙ্ঘসহ বহুপাক্ষিক ফোরামে দুই দেশের সহযোগিতা এবং অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক বিষয়ে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় বিকেল থেকেই নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীরা জাতিসঙ্ঘ ভবনের সামনে জড়ো হতে থাকেন। ব্যানার, ফেস্টুন ও রঙ-বেরঙের পোস্টার হাতে নিয়ে তারা নানা স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলেন।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে আজ দেয়া ভাষণে তিনি বলেন, ‘বিবদমান রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমতা, ন্যায্যতা, পারস্পরিক স্বার্থরক্ষা এবং সম্মান ও মর্যাদা রক্ষাই দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত।’
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সতর্কবাণী উচ্চারণ করে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে অদূর ভবিষ্যতে এটি এক মানবিক সংকটে রূপ নিতে পারে।’
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতিসঙ্ঘ সদর দফতরের সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ের ২৭তম তলায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাতিসঙ্ঘের মধ্যকার সহযোগিতা, বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বুধবার স্থানীয় সময় দুপুরে জাতিসঙ্ঘ সদরদফতরের সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ের ৩৪তম তলায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই নেতা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

২০৫০ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ২৫ সেন্টিমিটার বাড়লে বাংলাদেশের প্রায় চার শতাংশ ভূমি পানিতে তলিয়ে যেতে পারে। এতে প্রায় এক কোটি মানুষের ঘরবাড়ি, জীবিকা ও মানবিক মর্যাদা হুমকির মুখে পড়বে।
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী বাংলায় ভাষণ দেবেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকারসমূহ তুলে ধরবেন। এতে জলবায়ু পরিবর্তন, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, মানবিক বিষয়াবলি এবং রোহিঙ্গা সঙ্কটের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে।
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এ সময় বাংলাদেশ ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদার করা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আসুন, আমরা একসাথে কাজ করি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরো নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলি।’
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নয় বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করে আসছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। উপরন্তু, মিয়ানমারে চলমান সহিংসতার কারণে এখনো মানুষ সেখান থেকে পালিয়ে আসছে।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বৈঠকে বিশ্বের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় জনহিতকর ও মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এর মধ্যে গেটস ফাউন্ডেশন, ভিসা ফাউন্ডেশন, রকফেলার ফাউন্ডেশন, ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি (আইআরসি) এবং রোটারি ইন্টারন্যাশনালসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। সঙ্কটের স্থায়ী সমাধানে রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরো কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


