লোড হচ্ছে...
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তরা এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে তিনটি ককটেল ছুড়ে মারে। এর মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয় এবং দুটি অবিস্ফোরিত অবস্থায় পড়ে থাকে।
১৩ দিন আগে

এসআই মাহবুব আলম জানান, কারা এ হামলা করেছে এবং হামলার কারণ কী, তা এখনো জানা যায়নি। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
১৪ দিন আগে

ডিসি ইবনে মিজান বলেন, রাত সোয়া ১টার দিকে দুই মোটরসাইকেল আরোহী ঘটনাস্থলে এসে দুই থেকে তিন মিনিট অবস্থান করেন। এ সময় তারা আশপাশ পর্যবেক্ষণ করেন। এরপর দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে সেখান থেকে চলে যান। তারা আগারগাঁও হয়ে কাফরুল রোডের দিকে চলে গেছেন বলে তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
১৯ দিন আগে

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পুরান ঢাকার বংশাল থেকে রায়হান উদ্দিনকে গ্রেফতার করে ডিবির একটি দল। পরে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওইদিন রাত ১২টা ১৫ মিনিটে লালবাগ থানার জন সাহা রোডের একটি ১০ তলা ভবনের নিচতলার পার্কিং এলাকায় অভিযান চালায় ডিবি।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১০টা ৩৭ মিনিটে রেলস্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মের ২৯ ও ৩০ নম্বর পিলারের মাঝামাঝি স্থানে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

উপ-পুলিশ কমিশনার মো: জাহিদুল ইসলাম জানান, শিল্পকলা একাডেমির সামনের সড়কে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার খবর আমরা জানতে পেরেছি। তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে সে বিষয়টি এখনো জানতে পারিনি।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় একজন পথচারী গুরুতর আহত হন। এরপর ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে ডিবি ও থানা পুলিশ অভিযান শুরু করে।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মনিরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়টি আমরা শনাক্তের চেষ্টা করছি।”
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দুই নম্বর প্লাটফর্মের নির্জন এলাকায় একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে সে বিষয়টি আমরা শনাক্তের চেষ্টা করছি। আমরা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে প্ল্যাটফর্ম কেন্দ্রিক টহল আরো জোরদার করছি। পরবর্তী সময়ে যাতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে সে বিষয়ে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬


