
প্রথমে রেকর্ড বৃষ্টিপাত, এরপর আবাসন সঙ্কট- এবার এশিয়ান গেমসের আয়োজকরা জাপানে হাজার হাজার অ্যাথলেটকে বহনকারী একটি ক্রুজ জাহাজে টাইফুনের তান্ডব না ঘটার জন্য ‘প্রার্থনা’ করছেন। আগামী সোমবার নাগোয়ায় টাইফুনের পূর্বাভাস রয়েছে।
এশিয়া মহাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম বৃহৎ এই আসরে অংশ নিতে ১৭ হাজারের বেশি অ্যাথলেট ও কর্মকর্তা জাপানের বন্দরনগরী নাগোয়া ও আইচি প্রিফেকচারে আসছেন।
খরচ কমাতে এবার ঐতিহ্যবাহী অ্যাথলেটস ভিলেজ রাখা হয়নি। এর পরিবর্তে প্রতিযোগীদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে অস্থায়ী কটেজ, হোটেল এবং ক্রুজ জাহাজ কোস্টা সেরেনায়।
গত সপ্তাহে রেকর্ড বৃষ্টিতে নাগোয়া ভেসে যায় এবং শিপিং কনটেইনারের আদলে তৈরি অস্থায়ী আবাসন থেকে অংশগ্রহণকারীদের সাময়িকভাবে সরিয়ে নিতে হয়।
বেশ কয়েকটি দল এসব কটেজের মান নিয়ে অভিযোগ করেছে। এর মধ্যে বিছানা খুব ছোট হওয়ার অভিযোগও রয়েছে। অন্যরা বলেছে, গেমসে অংশ নেয়া সবার জন্য পর্যাপ্ত কক্ষ নেই।
শনিবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দুই দিন আগে, আবহাওয়াবিদরা পূর্বাভাস দেন যে জাপানের প্রধান দ্বীপ- যেখানে নাগোয়া অবস্থিত, রোববার বা সোমবার একটি টাইফুন আঘাত হানতে পারে। এতে নাগোয়া বন্দরে নোঙর করা ক্রুজ জাহাজটিতে থাকা আনুমানিক চার হাজার গেমস অংশগ্রহণকারীর ওপর প্রভাব পড়তে পারে।
স্থানীয় একটি পত্রিকা রিপোর্ট করেছে, ‘দুজুয়ান’ নামের ঝড়টির গতিপথ এখনো ‘অনিশ্চিত’। তবে সবচেয়ে গুরুতর পরিস্থিতিতে জাহাজটিকে বন্দর এলাকা থেকে সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য খালি করে দিতে হতে পারে।
জাপানে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর টাইফুনের মৌসুম।
শুক্রবার নাগোয়ায় আবহাওয়া ছিল শুষ্ক ও রৌদ্রোজ্জ্বল। যদিও বিকেলের দিকে হালকা বাতাসে পরিবেশ বেশ স্বস্তিকর হয়ে ওঠে। যদিও আগের কয়েক দিনের বৃষ্টির কারণে বৃহস্পতিবার চীন ও বাংলাদেশের মধ্যকার নারী ক্রিকেট ম্যাচটি একটি বলও মাঠে গড়ানোর আগে পরিত্যক্ত হয়।
গত সপ্তাহের মঙ্গলবার নাগোয়ায় মাত্র এক ঘণ্টায় প্রায় ১০৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। এর ফলে নগরীর কয়েকটি এলাকায় পৌর কর্তৃপক্ষকে সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ জারি করতে হয়।
বৃষ্টির পানি বেশ কয়েকটি প্রতিযোগিতার ভেন্যুতেও ঢুকে পড়ে। বাসস







