দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রথম সংখ্যার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন
দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রথম সংখ্যার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন। নয়া দিগন্ত গ্রাফিক্স

২০০৪ সালের ২৫ অক্টোবর নয়া দিগন্তের প্রথম সংখ্যার অন্য দিগন্ত বিভাগে ‘আলোচনার মাধ্যমে কাশ্মীর বিরোধ নিরসন করুন’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়, কমনওয়েলথ মহাসচিব ডন ম্যাককিনন পারমাণবিক শক্তিধর দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ পাকিস্তান ও ভারতকে আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের কাশ্মীর বিরোধ নিরসনের আহ্বান জানিয়েছেন। পাকিস্তান সফরে প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফ ও প্রধানমন্ত্রী শওকত আজিজের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় জোর দেন এবং সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে পাকিস্তানের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

Advertisement

আজ নয়া দিগন্তের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রতিবেদনটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো—

পাকিস্তান ও ভারতের প্রতি কমনওয়েলথ মহাসচিব
‘আলোচনার মাধ্যমে কাশ্মীর বিরোধ নিরসন করুন’
ইসলামাবাদ থেকে এপি

কমনওয়েলথ এর মহাসচিব ম্যাককিনন গত শনিবার পারমাণবিক শক্তিসম্পন্ন দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ পাকিস্তান ও ভারতকে আলোচনার মাধ্যমে কাশ্মীরের বিরোধ মীমাংসার সর্বাত্মক চেষ্টা চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, শান্তির জন্যই কাশ্মীরের সমস্যার সমাধান হওয়া জরুরী। তিনি পরামর্শ দিয়ে বলেন, দুটি দেশেরই উচিত আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এক সমাবেশে ডন ম্যাককিনন একথা বলেন।

মে মাসে পাকিস্তান পুনরায় কমনওয়েলথ এর পূর্ণ সদস্যপদ লাভের পর কমনওয়েলথ মহাসচিবের এটাই প্রথম পাকিস্তান সফর। তিনি শুক্রবার প্রেসিডেন্ট জেনারেল পারভেজ মোশাররফ, প্রধানমন্ত্রী শওকত আজিজ ও অন্যান্য পদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাদের মধ্যকার আলোচনায় মূলত কমনওয়েলথ দেশগুলো কিভাবে পাকিস্তানক তার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে সহায়তা করতে পারে এ বিষয়টি প্রাধান্য পেলেও, জেনারেল মোশাররফ তাকে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভারত ও পাকিস্তান তাদের মধ্যকার বৈরী ভাব দূর করতে কি কি পদক্ষেপ নিয়েছে তা জানান।

সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং ম্যাককিনন এই যুদ্ধে পাকিস্তানের ভূমিকার প্রশংসা করেন। ডন ম্যাককিনন ২৮ অক্টোবর নয়াদিল্লী সফরে যাবেন। তবে এর আগে তিনি সিঙ্গাপুর ও মালদ্বীপ সফর করবেন।