
ক্রীড়া প্রতিবেদক
বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য আতঙ্কের কোনো নাম ছিল না শ্রীলঙ্কা। দুই দলের ১৮ মোকাবেলায় বাংলাদেশের জয় ছিল ১১টিতে। দু’টি ম্যাচ ড্র হলেও অবশিষ্ঠ পাঁচ ম্যাচে জয় লংকানদের। তবে এখন পাল্টে গেছে দ্বীপ রাষ্ট্র্রটির ফুটবলের চেহারা। আরো আগ থেকেই তারা প্রবাসী ফুটবলার খেলানো শুরু করেছিল। ২০২১ সালে কলম্বোর মাঠে লাল-সবুজরা তাদের কাছে ১-২ গোলে হেরেছিল। এই ক্ষতের সাথে এখন যোগ হয়েছে দলটিকে ১৮-১৯ জন বিদেশে বড় হওয়া ফুটবলার। এতে দলটির শক্তি যেমন বেড়েছে তেমনি বাংলাদেশের জন্য ১১ তারিখের ম্যাচে আতঙ্কও তারা। বিষয়টি টমাস ডুলি বাহিনীর সবার কাছেই জানা। এখন তারা এই নতুন রূপে তৈরি হওয়া প্রতিপক্ষটিকে হারানোর পণই করেছে। গতকাল অনুশীলনের আগে মিডিয়ার সাথে এই কথাই জানান অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার শেখ মোরসালিন।
এই সাফ ফুটবল দিয়েই বড় মঞ্চে নিজের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জানান দিয়েছিলেন শেখ মোরসালিন। ২০২৩ সালে ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে হওয়া সাফে তার ছিল জোড়া গোল। তা ভুটান ও মালদ্বীপের বিপক্ষে। লাল-সবুজ জার্সিতে তার করা সাত গোলের দু’টিই সেই সাফে। সে স্মরণীয় ঘটনার কথা উল্লেখ করে ঢাকা আবাহনীর এই উঠতি ফুটবলার জানান, আমরা জানি শ্রীলঙ্কা দলের বর্তমান শক্তি সম্পর্কে। তবে আমরা প্রথম ম্যাচে জিতেছি। ভুটানের বিপক্ষে সেই জয়ের পর এখন আত্মবিশ্বাস বহুগুণে বেড়ে গেছে। তাই পরের ম্যাচেও আমরা জিততে চাই। কোনোভাবেই তাদের নিচ্ছি না হালকাভাবে।’
জ্বরের কারণে গত ম্যাচে ২৩ জনের মধ্যে ছিলেন না মোরসালিন। এখন অবশ্য তিনি পুরোপুরি ফিট। নিজ থেকেই দিলেন তথ্য। জানান, আমি এখন পুরোপুরি সুস্থ। প্রস্তুত ম্যাচ খেলার জন্যও। তবে প্রথম ম্যাচের আগে চোটের জন্য খেলতে না পারা তপু বর্মণের ইনজুরির আপডেট নিয়ে কোনো তথ্য দিতে পারলেন না তিনি। আরো উল্লেখ করেন, গত সাফ দিয়ে আমার উত্থান। তবে সেবার চ্যাম্পিয়ন হতে পারিনি। এবার দেশের মাঠে খেলা। এবার আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে চাই। ট্রফি নিয়েই শেষ করার লক্ষ্য টুর্নামেন্টটি।
শ্রীলঙ্কা দলের বিপক্ষে খেলার আগেই অবশ্য বাংলাদেশ দল পাচ্ছে হামজা চৌধুরী ও স্ট্রাইকার ফারহান আলী ওয়াহিদকে। ৯ তারিখ সকালে তারা ঢাকায় এসে পৌঁছাবেন বলে তথ্য দেন বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবু। তার মতে দুই ফুটবলারের বিমান ভ্রমণ যাতে নির্বিঘেœ হয় সে জন্য সব ব্যবস্থাই নেয়া হয়েছে।
লংকান দলে যেমন প্রবাসী ফুটবলার তেমনি বাংলাদেশ দলেও প্রবাসী খেলোয়াড়ের সংখ্যা কম নয়। তাই শেখ মোরসালিনের মতে, শ্রীলঙ্কা দল যেমন ভালো। তেমনি আমাদের দলও ভালো।’ আরো যোগ করেন, ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচে আমরা এক গোলে জিতেছি। গোল কম হওয়ায় এক দিকে ভালোই হয়েছে। তা না হলে বেশি গোল দিলে শরীরটা রিলাক্সড হয়ে যেত।
ডিফেন্ডার বিশ্বনাথের স্ট্রাইকিং পজিশনে খেলা নিয়ে মোরসালিনের জবাব, বিশ্বনাথ দাদা কিন্তু খারাপ খেলেননি। তিনি ভালো করেছেন। গোলের চেষ্টা করেছেন। আসলে কোচ যা চায় যেভাবে খেলাতে চান সেভাবেই খেলতে হয়। আমাকেও যদি স্ট্রাইকার হিসেবে খেলতে বলেন কোচ তাহলে আমিও সেই পজিশনে খেলব। অতীতেও স্ট্রাইকার পজিশনে খেলেছি। মোট কথা আমরা চাই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও ম্যাচটি জিততে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








