
নিজস্ব প্রতিবেদক
নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সারা দেশে পালিত হয়েছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছর পর এবারই প্রথম সরকারিভাবে এই দিবসটি পালিত হলো। প্রশাসনের পাশাপাশি বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন আলোচনা সভা, র্যালি, দোয়া মাহফিল ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিবসটি পালন করেছে।
বিএনপি : সারা দেশে নানা আয়োজনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করেছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা, র্যালি, আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠন।
রাজধানীতে কেন্দ্রীয় বিএনপির উদ্যোগে নয়া পল্টন থেকে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে পর্যন্ত র্যালি করা হয়। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এতে নেতৃত্ব দেন। দীর্ঘ প্রায় ৬ কিলোমিটার হেঁটে র্যালির সমাপনী পর্বে বক্তব্য রাখেন তিনি। এর আগে বিকেল সোয়া ৩টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অস্থায়ী মঞ্চ থেকে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন তারেক রহমান।
ক্ষমতাসীন দলের এ কর্মসূচি ঘিরে কাকরাইল মোড় থেকে শুরু করে ফকিরেরপুল মোড় পর্যন্ত হাজার হাজার নেতাকর্মী-সমর্থকদের ঢল জনসমুদ্রে রূপ নেয়। নেতাকর্মীদের হাতে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তাদের জ্যেষ্ঠ সন্তান তারেক রহমানের ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা গেছে। নেতাকর্মীরা বিভিন্ন রঙের ক্যাপ ও গেঞ্জি পরে শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন।
এ দিকে দিবসটি উপলক্ষে গতকাল সকালে জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করে বিএনপি। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিনিয়র নেতাদের নিয়ে এ শ্রদ্ধা জানান।
পরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পেছনে ছিল ৭ নভেম্বরের চেতনা। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের অব্যাহত ধারা নিশ্চিত করার প্রত্যয় নিয়েই এ দেশের মানুষ জুলাইয়ে আন্দোলনে নেমেছিল। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরে পায়। তার বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশ উন্নয়ন ও উৎপাদনে এগিয়ে যায়।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালন
চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। এই দিনেই সিপাহি জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করা হয়। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ৭ নভেম্বরের গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠার যাত্রাও এই দিনের ঐতিহাসিক ঘটনা প্রবাহের মধ্য দিয়ে সূচিত হয়েছিল।
গতকাল শনিবার ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি মো: কামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো: জিয়াউদ্দীন, পুলিশ কমিশনার হাসান মো: শওকত আলীসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
জিয়াউর রহমান দেশের মানুষকে স্বাধীনতার প্রকৃত সুখ ফিরিয়ে দিয়েছিলেন : ভূমিমন্ত্রী
রাজশাহী ব্যুরো জানায়, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের মানুষকে স্বাধীনতার প্রকৃত সুখ ফিরিয়ে দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন ভূমিমন্ত্রী মো: মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান সবসময় দেশের ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও নেতৃত্ব ছিল। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায়ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
শনিবার সকালে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর বিএনপির দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সকাল ৭টায় মহানগর বিএনপির কার্যালয়ের সামনে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: মাহফুজুর রহমান রিটন। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।
এ সময় মহানগর বিএনপির সহসভাপতি আসলাম সরকার, ওয়ালিউল হক রানা, মুক্তার হোসেন ও জয়নাল আবেদীন শিবলী, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম মিলুসহ মহানগর বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিপ্লব ও সংহতি দিবসের প্রেরণায় দেশ গড়তে হবে : রামেবি ভিসি
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সংঘটিত সিপাহি-জনতার বিপ্লবের লক্ষ্য ও প্রেরণা ধারণ করে জাতীয় সংহতি প্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং দেশের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রামেবি) ভিসি প্রফেসর ডা. মোহা: জাওয়াদুল হক। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ডা. মো: শাহ আলম, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মো: নাজিমুদ্দীন, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ডা. মো: আব্দুল ওয়াদুদ, সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. মো: সিরাজুল ইসলাম, সহকারী কলেজ পরিদর্শক ডা. মনিরুল ইসলাম এবং সহকারী পরিচালক (অর্থ) খাইরুল ইসলামসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
রংপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভা
রংপুর ব্যুরো জানায়, ৭ নভেম্বর আমাদের শিখিয়েছে এ দেশের মানুষ কোনো বিদেশী শক্তির আধিপত্য কিংবা অভ্যন্তরীণ কোনো ফ্যাসিবাদীর কাছে কোনো কর্তৃত্ববাদের কাছে মাথা নত করবে না বলে মন্তব্য করেছেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম।
শনিবার দুপুরে রংপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তেনে ৭ নভেম্বর উপলেক্ষে জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম একথা বলেন।
ডিসি ইসরাত জাহানের সভাপতিত্বে এ সময় আরো বক্তব্য রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, জেলা পরিষদ প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক, অতিরিক্ত ডিআইজি জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নরেশ চাকমা, জজ আদালতের পিপি আফতাব হোসেন, বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছাত্তার।
সিলেট ব্যুরো জানায়, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। একদলীয় বাকশাল শাসনের অবসানের পর তিনি সব রাজনৈতিক দলের জন্য রাজনীতির অধিকার ফিরিয়ে দেন। এমনকি সেই সুযোগে আওয়ামী লীগও পুনরায় রাজনীতি করার অধিকার লাভ করে। অন্য দিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে আবার গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শনিবার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মিনি অডিটোরিয়ামে গণিত বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো: আশরাফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সম্মানিত অতিথির বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: খায়রুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রোভিসি অধ্যাপক ড. জি এম রবিউল ইসলাম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: মোরাদ। স্বাগত বক্তব্য দেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কালাম আহমেদ।
বরিশাল ব্যুরো জানায়, ঝটিকা মিছিল করে দেশকে অস্থিতিশীল করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বরিশাল সদর-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো: মজিবর রহমান সরোয়ার।
তিনি বলেন, গত ১৭ বছর যেভাবে মাঠে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, এখনো সেভাবেই মাঠে রয়েছি। স্বৈরাচারী শক্তি আর কখনো মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। প্রয়োজনে সাংগঠনিক টিম গঠন করে তাদের প্রতিহত করা হবে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বরিশাল মহানগর বিএনপির উদ্যোগে নগরীর সদর রোডে অশ্বিনীকুমার হল সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুকের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মনজুর এমপি, বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, বরিশাল জেলা দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হোসেন খান এমপি, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক নান্নু, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য এবায়েদুল হক চান, বরিশাল জেলা দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহীন এবং মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়াউদ্দিন সিকদারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
নোয়াখালীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
নোয়াখালী অফিস জানায়, নোয়াখালীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন স্থানে আলোচনা সভা ও র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
৭ নভেম্বরের চেতনা ধারণ করে গণতন্ত্র, জাতীয় ঐক্য ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ভিসি অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। তিনি বলেছেন, বিপ্লবের সার্থকতা ক্ষমতার পরিবর্তনে নয়, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে। জাতীয় সংহতির প্রকৃত সার্থকতা মানুষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস প্রতিষ্ঠার মধ্যেই নিহিত। গতকাল শনিবার নোবিপ্রবি বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় অন্যদের মাঝে আরো বক্তব্য প্রদান করেন নোবিপ্রবি ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: আবদুল কাইয়ুম মাসুদ, আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুন নবী, সেকশন অফিসার মো: জিয়াউর রহমান, শাখা কর্মকর্তা আবদুল কাদের রহমান, পরিবহন শাখার প্রধান সহকারী মিজানুর রহমান, বার্তা বাহক মোশারফ হোসেন, রেজিস্ট্রার তামজিদ হোছাইন চৌধুরী সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নোবিপ্রবি ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দফতরের পরিচালক ড. মো: শিবলুর রহমান।
এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে জেলা বিএনপির উদ্যোগে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলোর সভাপতিত্বে মাইজদী শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো: শাহাজাহান, নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ফখরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও নোয়াখালী জেলা পরিষদের প্রসাশক হারুনুর রশিদ আজাদ প্রমুখ।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








