
রাশিদুল ইসলাম
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ভরাডুবি ও ডেমোক্র্যাটদের বিপুল বিজয়ের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের কূটনীতিতে কৌশলগত প্রয়োজন অতি জরুরি বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকরা। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এখন বিশ্বের অনেক দেশের সম্পর্কে নতুন সমীকরণের দিকে খেয়াল রাখার তাগিদ দিয়ে তারা বলেন, গতানুগতিক সম্পর্কের মধ্যে কূটনীতিকে আটকে রাখলে জাতীয় স্বার্থ আদায়ে বাংলাদেশ বরং পিছিয়ে পড়বে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে তারও বিচার বিশ্লেষণ করে এ ধরনের চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থকে কিভাবে অটুট রাখা যায় সে জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেট এবং প্রতিনিধি পরিষদ উভয় কক্ষেই ডেমোক্র্যাটরা বিপুল জয়লাভ করায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন। ক্ষমতার এই ভারসাম্যের পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের জন্য কী ধরনের প্রভাব বা সুবিধা তৈরি হতে পারে তার একটা হোমওয়ার্ক কূটনীতিতে উপস্থিত থাকা জরুরি হয়ে পড়েছে।
কেন মার্কিন নেতৃত্বে পর্যবেক্ষণ জরুরি
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ড. ইমতিয়াজ আহমেদ নয়া দিগন্তকে বলেন, মার্কিন নেতৃত্বে পরিবর্তনের জন্যে একটু অপেক্ষা করতে হবে। সমস্যা হচ্ছে ডেমোক্র্যাটরা নতুনভাবে ক্ষমতায় থাকবে কি না, যারা ইকোয়ালি ওয়ার মঙ্গার, ইকোয়ালি ইসরাইলের পক্ষে এবং গাজা জেনোসাইডের পক্ষে ছিল, যার মধ্যে বারাক ওবামা, কমলা হ্যারিস, চাক শুমার, জেফরিরা ছিলেন। এখন এই কৃষ্ণাঙ্গ নেতা জেফরির স্পিকার হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। ইফ ইউ লুক অ্যাট দি ডিসকাসনটা হচ্ছে আমেরিকায়, এই নিউ ডেমোক্র্যাটরা অ্যান্টি ওয়ার ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে জিতেছে, তারা তাদের অবস্থানে অনড় থাকবে কি না সেটি দেখার বিষয়। কারণ ট্রাম্পের দ্বিতীয় সময় জেতা আর এই মধ্যবর্তী নির্বাচনে জেতার মধ্যে মৌলিক কোনো পার্থক্য নেই, দুটোই যুদ্ধের বিরুদ্ধে, অ্যান্টি ওয়ার ছিল। ট্রাম্প জিতেছিলেন যেহেতু বলেছিলেন আমি আর যুদ্ধ করব না বলে অ্যান্টি ওয়ার ক্যাম্পেইন করেছিলেন। পিস বিল্ডার হবো; কিন্তু কিছুদিন পর এপস্টেইন ফাইলের ছড়াছড়িতে তিনি ব্যর্থ হলেন। যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। এখানে বড় প্রশ্ন মার্কিন নেতৃত্বে পরিবর্তন আসবে কি না, প্রশ্ন উঠেছে কেন আবদুল এল সায়েদের পাশে বারাক ওবামা দাঁড়িয়েছেন। কেন আবদুল কৃষ্ণাঙ্গ জেফরিকে স্পিকার মনোনয়নে সমর্থন দিচ্ছেন। যদিও সবচেয়ে বড় ভোকাল অ্যান্টি ইসরাইলি হচ্ছেন আবদুল। কোনো সন্দেহ নেই। আবার একই প্রশ্ন উঠেছে জোহরান মামদানির ব্যাপারেও। উই হ্যাভ টু ওয়েট, নট টু রাশ টু দি কনক্লুশোন যে একটা বড় পরিবর্তন হয়ে গেছে। পরিবর্তন মানে এর আগেও যুদ্ধের বিরুদ্ধে মার্কিন জনগণ ভোট দিয়েছিল, এই সময়ও দিয়েছে।
ইমতিয়াজ বলেন, মার্কিন নেতৃত্বে পরিবর্তন আসবে কি না সেটিই দেখার বিষয়, নাকি বারাক ওবামা ও কমলা হ্যারিসের লবি প্রিভেইল করবে, এই ক্রিটিক্যাল নেতৃত্বের কারণেই বারবার মার্কিন জনগণ ভোগান্তিতে পড়েছে। ইউক্রেন বা ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাসীকেও তো জ্বালানিসহ অর্থনৈতিক নানা সঙ্কটে কম ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি, এ ব্যাপারে ইমতিয়াজ বলেন, মার্কিন ভোটারদের মধ্যে খুব একটা মৌলিক পরিবর্তন নেই যুদ্ধের ব্যাপারে। তারা অলওয়েজ এগেইনস্ট দ্য ওয়ার। কিন্তু যারা নির্বাচিত হন, আইপ্যাকের (ক্ষমতাধর শক্তিশালী ইহুদি লবি) টাকা পায়, দে গো ব্যাক টু দ্য ওল্ড মিউজিক, মৌলিক ওয়ার মঙ্গারিংয়ের খপ্পরে পড়ে যায় মার্কিন নেতৃত্ব। আমরা কোনো পার্থক্য দেখতে পারি না। জো বাইডেনতো ইকোয়ালি ওয়ার মঙ্গার, মানুষ ভুলেই গেছে, ওই তো গাজাকে বসিয়ে দিয়েছিল ওই সময়। এ জন্য আমি মনে করি না আমেরিকায় বড় ধরনের একটা শিফট হয়েছে, আগেও আমেরিকানরা ভোট দিয়েছে ওয়ারের বিরুদ্ধে। এবারো অ্যান্টি ওয়ারের পক্ষে ভোট দিয়েছে। এখন যদি নিউ ডেমোক্র্যাসি আসে তাহলে একটা বড় পরিবর্তন হবে। বাংলাদেশকেও সেই পরিবর্তনের সাথে লিংকড হতে হবে। কারণ ট্যারিফ স্যাংশনের ব্যাপারে মার্কিন নেতৃত্বেও হয়তো ভিন্ন চিন্তা থাকবে। এই জায়গায় বাংলাদেশের একটা অপরচুনিটি তৈরি হবে। কথা হচ্ছে আমাদের পলিসিমেকাররা এই নিউ ডেমোক্র্যাটদের সাথে সম্পর্ক ডেভলভ করছে নাকি ওল্ড সেই হিলারি ক্লিনটনদের সাথেই সম্পর্কটা রয়ে যাচ্ছে।
সচেতন পর্যবেক্ষণ তো অন্তত জরুরি এমন প্রশ্নে তিনি বলেন প্রথম হচ্ছে আমাদের সেই সফসটিকেশনটা আছে কি না, আমরা বুঝতে পারছি কি না নিউ ডেমোক্র্যাটদের সাথে ওল্ড ডেমোক্র্যাটদের পার্থক্যটা, এক এবং দ্বিতীয়ত হচ্ছে ওল্ড ডেমোক্র্যাটদের সাথেই সম্পর্ক রেখে মনে করছি সেই বিল, হিলারি ক্লি¬নটনরাই ক্ষমতায় আসছে তো পলিসিমেকিংয়ে আরেক ধরনের ইমপ্যাক্ট পড়বে, একটু ওয়েট করা দরকার টু সি নিউ ডেমোক্র্যাট প্রিভেইল করে কি না। যদি করে তাহলে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে এটা এক মেজর শিফট হবে এবং যেখানে আমাদেরও একটা উইনডো অব অপরচুনিটি তৈরি হবে। আই ডোন্ট ওয়ান্ট টু রাশ ইনটু দ্যাট কনক্লুশন কারণ এখনি আমেরিকানদের মধ্যে যারা সচেতন পর্যবেক্ষণকারী তারা খেয়াল রাখছেন ওল্ড ডেমোক্র্যাটরা এখনো নিউ ভিক্টরি পাওয়া ডেমোক্র্যাটদের আশপাশে রয়ে গেছেন।
কী ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগ নেয়া উচিত?
সাবেক রাষ্ট্রদূত সাকিব আলী নয়া দিগন্তকে বলেন, অবশ্যই কূটনৈতিক উদ্যোগ জরুরি এ কারণে যে, পশ্চিমা বিশ্বে ইসলামের বিরুদ্ধে যারা বা যে সম্প্রদায় দাঁড়িয়েছে, পশ্চিমা বাম, পশ্চিমা নারী এবং পশ্চিমা তরুণ তরুণীরা; তাদের ট্রান্সন্যাশনাল ক্যাপিটালিজমের বিরুদ্ধে, সবধরনের সাম্রাজ্যবাদ, সবধরনের পুঁজিবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একটা কোয়ালিশন তৈরি হচ্ছে, এই কোয়ালিশন ট্রাম্পকে এবার হারিয়েছে। এই কোয়ালিশনের সাথে বাংলাদেশের অত্যন্ত সুদৃঢ় সম্পর্ক স্থাপন জরুরি। কারণ আমাদের মানবতাবোধ ও মূল্যবোধের সাথে ওনাদের মূল্যবোধের কোনো পার্থক্য নেই। বিশ্বায়নের সহযাত্রী হিসেবে আমাদের এ সুযোগ নেয়ার কোনো বিকল্প নেই। বিশ্বের সব বড় বড় অলিগার্ক, তারা একজন আরেকজনের সাথে সমন্বয় করে এবং এটা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন প্রান্তে হয়ে থাকে। কিন্তু যারা জনগণের পক্ষের শক্তি তাদেরও কিন্তু একজন আরেকজনের সাথে সমন্বয় করা উচিত। নির্ভর করা উচিত, এ হিসেবে বাংলাদেশের সরকারকে প্রথমত মানবতাবাদী হয়ে মানবতাবোধ নিয়ে, সাম্যবাদ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন যেসব ইস্যুতে বাংলাদেশকে চাপে রেখেছিল তার বিরুদ্ধে স্বকীয় অবস্থানে ফিরে যেতে হবে। কারণ ট্রাম্পের কথামতো এখন আমাদের আর চলার দরকার নেই।
মার্কিন রাজনীতিতে নেতৃত্বের নতুন সহযাত্রী হতে পারলে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সক্ষমতা তৈরি হবে কি না- এ প্রশ্নের জবাবে সাকিব আলী বলেন, অবশ্যই শুধু আমেরিকাকেন্দ্রিক নয়, কানাডা, ইউরোপ, প্রতিটা পশ্চিমা দেশের সাথে সম্পর্কের নতুন ভিত তৈরিতে কূটনীতিকে সেভাবে সাজাতে হবে। দেখুন রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসন নিয়ে বাংলাদেশ আমেরিকা, ভারত, চীন, ইউরোপ-সহ বিশ্বের সবার কাছে গিয়েছে; কিন্তু কোনো সুরাহা হয়নি, এ ক্ষেত্রে নতুন কূটনৈতিক অভিযাত্রা কি কোনো বিকল্প শক্তিতে রূপান্তরের সুযোগ রয়েছে, এতদিন ধরে, সাম্রাজ্যবাদী যুক্তরাষ্ট্রকে দেখেছি, এখন একধরনের সাম্যবাদী যুক্তরাষ্ট্রের উত্থান হচ্ছে, আমাদের উচিত তাদের সাথে একটা সমঝোতা ও নৈকট্য তৈরি করা।
মার্কিন নির্বাচনে ফলাফলে বাংলাদেশের রাজনীতি ও কূটনীতির কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না সে সম্পর্কে সাকিব আলী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্যচুক্তি হওয়ার আগে কতটুকু ডেলিবারেটিভ প্রসেস ছিল, আলাপ আলোচনা হয়েছে কতটা, অন্যান্য সিমিলার কান্ট্রির সাথে কথা বলেছি কি না সেটি নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। চুক্তির ভয় দেখিয়ে আমাদের বোয়িং কিনতে বাধ্য করা হয়েছে, চুক্তির মধ্যে এমন কিছু শর্ত রয়েছে যা আমরা মানতে পারি না, সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে গেছে, এভাবে কোনো দেশের সাথে ব্যবসাবাণিজ্য হয় না। এটা অ্যাবারেশন। এ চুক্তি যে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গেছে তা বুঝানোর জন্য অনেক কাজ আছে। নির্বাচিত মার্কিনিদের সাথে বোঝাপড়ার জন্যে কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে হবে। বোয়িং বা এয়ারবাস কেনার চুক্তি হলেও এসব বিমান ২০৩০ সালের দিকে তৈরি শুরু হবে। এখনি সময় এসব বিষয় নিয়ে আলোচনার উদ্যোগ নেয়ার। জোহরান মামদানিকে বলতে হবে বোয়িং কেনার যে শর্ত চাপিয়ে দেয়া হয়েছে তা আমরা অ্যাফোর্ড করতে পারব না। আবদুল এল সায়েদকে বলতে হবে। এ ধরনের কথা বলার পরিবেশ তৈরি হয়েছে, আগে ছিল না। ট্রাম্প আগে যা বলতেন তাই হতো; কিন্তু এখন ভিন্ন প্রেক্ষাপটের সুযোগ নেয়া বাংলাদেশের অবশ্য কর্তব্য। জোহরান মামদানির নির্বাচনে বিজয়ে বাংলাদেশীদের একটা বড় ভূমিকা ছিল। এ বিষয়টাকে লিভারেজ করতে হবে। পররাষ্ট্র বিষয়ে জোহরান মামদানির সরাসরি কোনো ভূমিকা নেই; কিন্তু সিনেটর আবদুল এল সায়েদের সেই ক্ষমতা থাকবে। এভাবে যোগসূত্রের খোঁজ বাংলাদেশের কূটনীতিতে জরুরি। বাংলাদেশী ডায়াস্পোরার অনেকেই ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের সাথে সহায়তার সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন তারা মার্কিন রাজনীতিবিদদের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধিতে বড় ধরনের সূত্র হতে পারেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে সংসদে আলোচনা হওয়ার দাবি উঠেছে; কিন্তু কার্যকর শক্তিশালী সংসদ না হওয়ায় সংস্কারের পক্ষে ৭০ শতাংশ হ্যাঁ ভোট পড়লেও গণরায় মানি না এমন রাজনৈতিক বক্তব্য থাকায় যুক্তরাষ্ট্র বা ভারতের সাথে অসম চুক্তি নিয়ে সংসদে কতটা আলোচনা সম্ভব সে নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের একতরফা বা কঠোর বাণিজ্য নীতি ও কঠিন বাণিজ্যিক চুক্তি করার যে চাপ বিভিন্ন দেশের ওপর ছিল, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ায় তা কিছুটা প্রশমিত হতে পারে এবং বাংলাদেশ কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে যাতে সুবিধা আদায় করতে পারে সে ধরনের প্রস্তুতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। বিশ্লেষকদের মতে ডেমোক্র্যাটদের হাতে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণে থাকায় বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত ও ভূ-রাজনৈতিক সম্পর্ক আরো সুষম এবং নিয়মতান্ত্রিক হওয়ার সুযোগ কিভাবে তৈরি হতে পারে তা নিয়ে কূটনৈতিক উদ্যোগ জরুরি। কারণ কংগ্রেসের উভয় কক্ষে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন বিতর্কিত নীতি ও অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তে কংগ্রেসের জোরালো নজরদারি বাড়বে, যা বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে ওয়াশিংটনের হঠকারী সিদ্ধান্ত কিছুটা কমাতে সাহায্য করতে পারে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাথে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি আরো সহনীয় করে তোলার সুযোগ আছে কি না তার বিশ্লেষণ এখন থেকেই শুরু করতে হবে। মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলের একটা দীর্ঘ প্রভাব পড়তে পারে বিশ্ব-অর্থনীতিতেও। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি কিনছে, এ ক্ষেত্রে বাড়তি কোনো সুবিধা পাওয়া যায় কি না, সে খোঁজ নেয়াও জরুরি। কারণ এলএনজির দাম ঘন ঘন বাড়াতে হচ্ছে। একই সাথে বিশ্লেষকরা চীন, ন্যাটো, ভেনিজুয়েলা, গ্রিস, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ইউরোপ ও এশিয়াসহ বাকি বিশ্বের সাথে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির পরিবর্তনের ওপর পর্যবেক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








