
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে একটি খাস বন্দোবস্ত নেয়া জলমহালে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় সব প্রজাতির মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। এতে ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন জলমহালের বন্দোবস্ত গ্রহীতা। গত বুধবার গভীর রাতে উপজেলার গুণধর ইউনিয়নের ফালিয়া বিল জলমহালে এ ঘটনা ঘটে।
জলমহালের বন্দোবস্ত গ্রহীতা আতাউর রহমান ছালেক জানান, সরকারকে ৪০ লাখ ৭০ হাজার টাকা রাজস্ব দিয়ে ১০ মাসের জন্য ৮০ একর আয়তনের জলমহালটি বন্দোবস্ত নেন তিনি। মাছ চাষে আরো প্রায় ১৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। তার সাথে স্থানীয় ১৭-১৮ জন যুবক এ প্রকল্পে যুক্ত ছিলেন। তিনি বলেন, কম সময়ের মধ্যে মাছ বিক্রির উপযোগী করতে বিভিন্ন প্রজাতির বড় পোনা এনে জলমহালে ছাড়া হয়। আইর, কাতল, মৃগেল, সরপুঁটি, গ্রাসকার্প, মিরর কার্প, রুই, চিংড়ি ও তারাবাইনসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ছিল সেখানে। পাশাপাশি প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেয়া দেশী প্রজাতির মাছও ছিল। চার-পাঁচ দিন পর মাছ ধরার পরিকল্পনা থাকায় সেগুলো বিলের এক পাশের জলাশয়ে (দাইড়ে) জড়ো করা হয়েছিল। সেখানেই বিষ প্রয়োগ করা হয় বলে তার অভিযোগ। আতাউর রহমান জানান, এ পর্যন্ত প্রায় ১০ লাখ টাকার মাছ বিক্রি করেছেন তারা। তার ধারণা, বিষ প্রয়োগে ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকার মাছ মারা গেছে। মাছ বিক্রি করতে পারলে অন্তত এক কোটি টাকার আয় হতো বলে আশা করেছিলেন তারা।
করিমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে মুসলিমা বলেন, খবর পেয়ে প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। করিমগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শোয়েব খান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা তদন্ত করা হচ্ছে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








