
সংসদ প্রতিবেদক
দেশের জ্বালানি সঙ্কট নিরসনে উপকূলীয় অঞ্চল ও বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্কও সময়ের পরিক্রমায় বিকশিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একক বৃহত্তম রফতানি গন্তব্য হওয়ায় দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ।
গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) আয়োজিত ‘৩০তম ইউএস ট্রেড শো-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, এই শো দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের দৃঢ়তাকে তুলে ধরছে। তিন দশক ধরে অ্যামচেমের কার্যক্রম দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তিনি বলেন, এবারের প্রদর্শনীতে স্বাস্থ্য প্রযুক্তি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, প্রযুক্তি (আইসিটি), ব্যাংকিং, উৎপাদনশিল্প, শিক্ষা এবং কৃষিব্যবসাসহ বিভিন্ন খাতের উদ্ভাবনী ধারণা ও প্রযুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। এসব খাতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বিনিয়োগের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। জ্বালানি খাতের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে স্পিকার বলেন, দেশের জ্বালানি সঙ্কট মোকাবেলায় উপকূলীয় অঞ্চল ও বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে মার্কিন কোম্পানিগুলো সহযোগিতা করকে পারে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন অ্যামচেম সভাপতি সৈয়দ কামাল হোসেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। ৫ থেকে ৭ নভেম্বর রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবারের ট্রেড শো। এতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পণ্য, সেবা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন প্রদর্শিত হচ্ছে। অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রতিনিধি দল, বিভিন্ন দূতাবাসের কর্মকর্তা, আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান ও নির্বাহী সদস্য, আমন্ত্রিত অতিথি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








