
ক্রীড়া প্রতিবেদক
রাজনৈতিক বৈরিতার জন্য ক্রিকেট মাঠে করমর্দন করেন না ভারত ও পাকিস্তানের খেলোয়াড়রা। একজন অন্যজনের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। দুই দেশের সেই বৈরিতা এখনো আছে। প্রশ্ন হচ্ছে আজ সাফ ফুটবলে দুই দলের ম্যাচে কি মুখ ফিরিয়ে নেয়ার কাহিনী। নাকি করমর্দন করবেন উভয় দলের খেলোয়াড়রা। আসলে এটি মেরুদণ্ডহীন আইসিসির ম্যাচ নয়। এটি ফিফা স্বীকৃত আসর। ফিফার নিয়ম যা সেই পতাকা বদলের সাথে করমর্দনও করতে হবে। তাই সংবাদ সম্মেলনে ভারতের কোচ নওশাদ মুসা ও অধিনায়ক নাথান জানান, আমরা শুধু করর্মনই নয় প্রয়োজনে কোলাকুলিও করব। এই প্রশ্ন ছিল পাকিস্তানের অধিনায়ক গাজীর কাছেও। তিনিও জানান, এখানেই ক্রিকেটের সাথে ফুটবলের পার্থক্য। ভারতের অধিনায়ক যা বলেছেন আমারও বক্তব্য তাই। আসলে এটিই তো ফুটবলের সৌন্দর্য।
২০০৩ সালের সাফে ভারতকে প্রথম ম্যাচেই হারিয়ে দিয়েছিল পাকিস্তান। ১-০তে ছিল সেই জয়। এবারও পাকিস্তান সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করতে চায়। জানান ব্রাদার্স ইউনিয়নে গত সিজনে খেলা গাজী। পাকিস্তান খেলছে বেশ কয়েকজন প্রবাসী ফুটবলার নিয়ে। এরা আসিয়ান কাপে ২-২ গোলে ড্র করেছিল ফিলিপাইনের সাথে। সেই কথা উল্লেখ করলেন ভারতের অধিনায়ক।
উল্লেখ্য, একমাত্র ভুটান দলেই কোনো প্রবাসী ফুটবলার নেই।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








