
কাওসার আজম
নদী, সাগর ও বাজারে ইলিশের সঙ্কটের পেছনে শুধু অতিরিক্ত আহরণ নয়, মাছ ধরার আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার, জাটকা ও মা ইলিশ নিধন, নদ-নদীর নাব্যতা হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব রয়েছে বলে মনে করছেন ইলিশ গবেষক ও মৎস্যবিজ্ঞানী ড. মো. আনিছুর রহমান। তার পর্যবেক্ষণ, গত তিন বছর ধরে ইলিশের উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে কমছে। এর আগে চার-পাঁচ বছর ধরে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। মাছের অবস্থান শনাক্ত করে অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ মাছ আহরণের প্রযুক্তি জেলেদের জন্য সুবিধা তৈরি করলেও প্রজননক্ষম মাছ ও পরবর্তী প্রজন্মের টিকে থাকার ক্ষেত্রে ঝুঁঁকি বাড়াচ্ছে।
ড. আনিছুর রহমান মনে করেন, ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে হলে জাটকা ও মা ইলিশ সংরক্ষণ, প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের যথাযথ বাস্তবায়ন এবং সাগর ও প্রধান নদ-নদীতে নজরদারি জোরদার করতে হবে। একই সাথে মাছের বিচরণ ও প্রজননের পরিবেশ রক্ষা, পরিকল্পিত ড্রেজিং এবং স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি গবেষণার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ করে নয়, জেলেদের সচেতন করা এবং ইলিশের জীবনচক্র নির্বিঘœ রাখার মাধ্যমেই টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করা সম্ভব। দৈনিক নয়া দিগন্তকে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি এসব তথ্য জানান।
ড. মো. আনিছুর রহমান বাংলাদেশের একজন ইলিশ গবেষক ও মৎস্যবিজ্ঞানী। তিনি বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) চাঁদপুর নদীকেন্দ্রের সাবেক মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং ইনস্টিটিউটের পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে অবসরে যান। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৎস্যবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর এবং যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব হাল থেকে অভ্যন্তরীণ মৎস্য ব্যবস্থাপনায় এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৎস্য ব্যবস্থাপনায় পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। তার গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র ইলিশের জীবনচক্র, প্রজনন, বিচরণ ও পরিযান, জাটকা সংরক্ষণ, মা ইলিশ রক্ষা এবং ইলিশ মৎস্য সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা। ইলিশের মজুদ মূল্যায়ন, আহরণ ব্যবস্থাপনা এবং প্রজনন ও বিচরণে নদীর নাব্যতা, দূষণ, লবণাক্ততা ও জলজ পরিবেশের প্রভাব নিয়েও তার গবেষণা ও প্রকাশনা রয়েছে।
নয়া দিগন্ত : নদী, সাগর ও বাজার- সবখানেই ইলিশের সঙ্কট দেখা যাচ্ছে। এর মূল কারণ কী?
ড. মো. আনিছুর রহমান : একসময় বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে ইলিশের উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে বেড়েছিল; কিন্তু গত তিন বছর ধরে উৎপাদন কমছে। এর পেছনে অতিরিক্ত আহরণের পাশাপাশি মাছ ধরার আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার, জাটকা ও মা ইলিশ নিধন এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের পরিবর্তন দায়ী। এখন গভীর ও অগভীর সাগরসহ বিভিন্ন এলাকায় মাছের অবস্থান শনাক্ত করে অবৈধভাবে মাছ ধরা হচ্ছে। ফলে প্রজননক্ষম মাছ কমে যাচ্ছে এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্ম নেয়ার সুযোগ সঙ্কুচিত হচ্ছে।
আজকের জাটকাই আগামী দিনের বড় ইলিশ। জাটকা বড় হওয়ার সুযোগ না পেলে এবং মা ইলিশ ডিম ছাড়ার আগেই ধরা পড়লে নতুন প্রজন্ম আসবে কোথা থেকে? গত চার-পাঁচ বছর ধরে পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। আমার গবেষণায় দেখা গেছে, এক বছর বা তার বেশি, বিশেষ করে প্রায় দুই বছর বয়সী ইলিশের ডিম দেয়ার সক্ষমতা বেশি। এসব ডিম থেকে জন্ম নেয়া বাচ্চার বেঁচে থাকার হারও বেশি। একটি ইলিশ একাধিকবার সাগর থেকে মিঠাপানির নদ-নদীতে এসে আবার ফিরে যেতে পারলে তার প্রজননক্ষমতা কাজে লাগানোর সুযোগ বাড়ে। কিন্তু এ স্বাভাবিক জীবনচক্র বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
জলবায়ু পরিবর্তন, পলি জমা, বৃষ্টিপাতের ধরন ও পরিমাণে পরিবর্তনের কারণে পানির গুণাগুণ এবং মাছের খাদ্যপ্রাপ্তিতেও ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। তাই জাটকা ও মা ইলিশ সংরক্ষণ, অতিরিক্ত আহরণ নিয়ন্ত্রণ এবং সাগর ও প্রধান নদ-নদীতে নজরদারি বাড়াতে হবে। ২০১৪-১৫ সালের দিকে জালের ফাঁসের আকার সাড়ে চার সেন্টিমিটার করার পর ইলিশের উৎপাদন বেড়েছিল, বড় ইলিশও বেশি পাওয়া যেত। বর্তমানে এসব বিধিবিধান যথাযথ প্রতিপালিত হচ্ছে না। প্রচলিত আইন কার্যকর করতে পারলে উৎপাদন আবার বাড়ানো সম্ভব।
নয়া দিগন্ত : ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে গবেষণা, প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনায় কী ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন?
ড. মো. আনিছুর রহমান : আগে জেলেরা জানতেন না কোথায় ইলিশের ঝাঁক রয়েছে। এখন ইকো সাউন্ডার, ইকো রেঞ্জার ও ফিশ ফাইন্ডারের মাধ্যমে স্ক্রিনে মাছের অবস্থান, আকার ও চলাচল শনাক্ত করা যাচ্ছে। ফলে নির্দিষ্ট স্থানে গিয়ে অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ মাছ ধরা সম্ভব হচ্ছে। জেলেদের জন্য এটি সুবিধাজনক হলেও পরবর্তী প্রজন্মের টিকে থাকার ক্ষেত্রে বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।
শুধু কারেন্ট জাল নয়, চায়না দুয়ারি ও বেহুন্দি জালসহ ক্ষতিকর জালের ব্যবহারও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ভোলা ও বরিশাল অঞ্চলের মধ্য দিয়ে সাগর থেকে ইলিশের মিঠাপানির নদ-নদীতে আসার পথ রয়েছে। পলি জমা, বৃষ্টিপাত কমে যাওয়া, পানিপ্রবাহ হ্রাস, মাছের খাদ্যের ঘাটতি এবং প্লাস্টিকসহ অন্যান্য দূষণে এসব পথ সঙ্কুচিত হচ্ছে। ফলে মাছের স্বাভাবিক বিচরণ ও চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
ইলিশ বাংলাদেশের জলসীমা ছেড়ে গভীর সাগর বা অন্য দেশের জলসীমায় চলে যাচ্ছে কি না, সে আশঙ্কাও রয়েছে। তবে গবেষণা ছাড়া নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। এ জন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা চালাতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যমান আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন এবং নজরদারি বাড়ানো জরুরি।
নয়া দিগন্ত : আগামী পঁাঁচ বছরে ইলিশের উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারব্যবস্থা উন্নয়নে সরকারের কী উদ্যোগ অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত?
ড. মো. আনিছুর রহমান : শুধু উৎপাদন বাড়ালেই হবে না; বিপণন ও বাজারজাতকরণসহ পুরো ব্যবস্থাকে কার্যকর চক্রের মধ্যে আনতে হবে। মৎস্য গবেষণা সেলের সুপারিশ মৎস্য অধিদফতরের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে হবে। জাটকা ও মা ইলিশ সংরক্ষণে বিদ্যমান বিধিবিধান যথাযথভাবে কার্যকর করা জরুরি।
এ ছাড়া উড বোট ও বটম ট্রলিংয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত মাছ আহরণ বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় ৪০ মিটার গভীরতাসহ বিভিন্ন গভীরতায় মাছ ধরা হচ্ছে। এমনকি গভীর সাগরে মাছ ধরার জন্য নিবন্ধিত জাহাজও কম গভীরতায় মাছ ধরছে। এসব ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি বাড়াতে হবে। মৎস্য অধিদফতরকে শুধু দায়ী করলে হবে না; দক্ষ জনবল, পর্যাপ্ত অর্থায়ন ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দিয়ে তাদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
পরিকল্পিত ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদ-নদীর গভীরতা ও পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা প্রয়োজন। এতে মাছের চলাচলের পথ ও আবাসস্থল উপযোগী থাকবে। পাশাপাশি মাছ আহরণের পরিমাণসীমা বা ব্যাগ লিমিট চালু করার বিষয়টি বিবেচনা করা দরকার। নির্দিষ্ট এলাকায় নির্দিষ্ট সময় মাছ ধরা বন্ধ রাখা এবং প্রজনন মৌসুমে ট্রলিং বন্ধ রাখাও জরুরি। নিবন্ধিত জাহাজের মাছ ধরার সরঞ্জাম ও কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। যেমন, একটি জাহাজ নির্দিষ্ট সময়ে সর্বোচ্চ এক থেকে দেড় টন মাছ ধরতে পারবে- এমন সীমা নির্ধারণ করা যেতে পারে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলাদেশেও প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন বিধিবিধান চালু করা উচিত।
নয়া দিগন্ত : ভারত, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ ও গুজরাট থেকে বাংলাদেশে ইলিশ আসার খবর পাওয়া যাচ্ছে। বিষয়টি কিভাবে দেখছেন?
ড. মো. আনিছুর রহমান : সংবাদমাধ্যমে যেভাবে ইলিশ আসার খবর প্রচারিত হয়েছে, ঠিক সেই পরিমাণে আসছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারব না। তবে বাংলাদেশের জলসীমায় ইলিশের সঙ্কট থাকায় পার্শ্ববর্তী দেশে বেশি দাম পাওয়া গেলে সেখানে মাছ সরবরাহের প্রবণতা তৈরি হতে পারে। এমনটি হচ্ছে বলেও জানা যাচ্ছে। বিষয়টি দুঃখজনক। আমাদের নিজেদের সংযত হতে হবে এবং ইলিশকে প্রজননের সুযোগ দিতে হবে। লক্ষ্য হওয়া উচিত, দেশে পর্যাপ্ত ইলিশ উৎপাদন করে আমদানির প্রয়োজনীয়তা দূর করা।
নয়া দিগন্ত : বাংলাদেশের জলসীমায় পরিবেশ নষ্ট হওয়ার কারণে ইলিশ কি ভারতের জলসীমায় চলে যাচ্ছে? সে কারণেই কি সেখানে বেশি ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে?
ড. মো. আনিছুর রহমান : গবেষণা ছাড়া নিশ্চিত করে বলা কঠিন। তবে গত তিন বছর ধরে বড় ইলিশের পরিমাণ কমছে এবং ছোট ইলিশের সংখ্যা বাড়ছে। বড় ইলিশের ডিম দেয়ার সক্ষমতা বেশি এবং তাদের ডিম থেকে জন্ম নেয়া বাচ্চার বেঁচে থাকার হারও বেশি। এ কারণে পরপর তিন বছর বড় ইলিশ কমে যাওয়ায় আগামী বছরও উৎপাদন কম থাকার আশঙ্কা করছি।
ভারতের গুজরাট ও পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি নদীতে ইলিশ বেশি পাওয়া যাওয়ার খবর আসছে। মাছের পরিবেশ ও খাদ্যের পরিস্থিতি অনুকূল না থাকলে তারা পূর্ব বা পশ্চিম দিকে কিংবা গভীর সাগরে চলে যেতে পারে। ইলিশকে বাংলাদেশের জলসীমায় থাকতেই হবে, এমন কোনো চুক্তি নেই। তবে তারা অন্য জলসীমায় চলে যাচ্ছে- এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে গবেষণা প্রয়োজন। পূর্ণিমার পর এবারের প্রজনন কার্যক্রম মূল্যায়ন করলে উৎপাদনের সম্ভাবনা এবং ইলিশের বিচরণে পরিবর্তন ঘটছে কি না, সে বিষয়ে আরো স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। ইলিশকে ধরে রাখতে হলে তাদের বেঁচে থাকা, চলাচল ও প্রজননের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
নয়া দিগন্ত : জলবায়ু পরিবর্তনে কৃষি ও মৎস্য খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে কী ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন?
ড. মো. আনিছুর রহমান : বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব থেকে কেউ পুরোপুরি রেহাই পাচ্ছে না। পুকুরে মাছ চাষে খাবার ও পরিচর্যার মাধ্যমে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হলেও নদী ও সাগরের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন। সেখানে তাপমাত্রা এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়লেও জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণিজগতের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। এতে পুরো জলজ বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এ জন্য বৃহৎ কর্মপরিকল্পনা, পর্যাপ্ত অর্থায়ন, অভিজ্ঞ ও দক্ষ জনবল এবং দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা প্রয়োজন। গবেষণার ফলাফল বাস্তবায়নেও গুরুত্ব দিতে হবে। গণমাধ্যমকে এসব বিষয় তুলে ধরে মানুষকে সচেতন করতে হবে। শুধু জাটকা ধরে জালসহ পুড়িয়ে দেয়া কিংবা জেলেদের কারাদণ্ড স্থায়ী সমাধান নয়। জাটকা আহরণ নিয়ন্ত্রণ, মা ইলিশ সংরক্ষণ, আইন বাস্তবায়ন ও জেলেদের সচেতন করার উদ্যোগ একসাথে নিতে হবে।
নয়া দিগন্ত : ইলিশের উৎপাদন কমার পেছনে জলবায়ু পরিবর্তন কতটা দায়ী?
ড. মো. আনিছুর রহমান : সমস্যার কারণ দু’টি- প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট। মনুষ্যসৃষ্ট সমস্যাগুলো অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। যেমন- কারেন্ট জালে জাটকা ধরা বন্ধ, মা ইলিশ আহরণ নিয়ন্ত্রণ এবং জালের ফাঁস সাড়ে চার সেন্টিমিটারের নিচে ব্যবহার না করার নিয়ম কার্যকর করা যায়। কিন্তু বৃষ্টিপাতের পরিমাণের মতো প্রাকৃতিক বিষয় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তবে নদী ও জলপথের গভীরতা কমে গেলে পরিকল্পিত ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে তা বাড়ানো যায়। এতে মাছের চলাচলের পথ, আবাসস্থল, জলজ উদ্ভিদ ও খাদ্য উৎপাদনের পরিবেশ উন্নত হবে। এসব উদ্যোগ নেয়া গেলে ইলিশসহ অন্যান্য মাছের উৎপাদন বাড়ানোর অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








