
ক্রীড়া ডেস্ক
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ দুই টেস্ট সিরিজে প্রথম ম্যাচে ২৮ অক্টোবর মাঠে নামবে বাংলাদেশ। এর আগে সফরকারীরা দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে বিসিবি একাদশের বিপক্ষে। সেই ম্যাচ খেলেছিলেন মাহফিজুল ইসলাম। এরপর জাতীয় ক্রিকেট লিগের চতুর্থ রাউন্ডে খেলতে নেমে প্রথম দিনের সেঞ্চুরিকে ডাবলসে রূপ দিলেন ময়মনসিংহের এই ব্যাটার। দ্বিতীয় দিনে অল্পের জন্য ট্রিপল সেঞ্চুরি করতে পারেননি মোহাম্মদ নাঈম শেখ। রাজশাহীর এই ওপেনের সাথে রেকর্ড জুটিতে ১৬৫ রানের ইনিংস খেলেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। জাতীয় দলের এক সময়ের নিয়মিত ওপেনার সিলেটের অধিনায়ক জাকির হাসান চমৎকার সেঞ্চুরিতে ১৬০ রান করে অপেক্ষায় দ্বিশতকের।
রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রথম দিনই ডাবল সেঞ্চুরির আশা জাগান নাঈম। সেটিকে গতকাল তিনি টেনে নেন ট্রিপল সেঞ্চুরির খুব কাছে। শেষ পর্যন্ত বড় শটের খোঁজে ২৮২ রানের থামেন ঢাকার ওপেনার। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে এটি তার প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি। চলতি লিগে টানা তৃতীয় সেঞ্চুরিতে এখন পর্যন্ত তার সংগ্রহ ১১২.২০ গড়ে ৫৬১ রান।
নাঈমের সাথে চতুর্থ উইকেটে ৫৩৪ বলে ৩৬৩ রানের জুটি গড়েন অঙ্কন। বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে এটিই চতুর্থ উইকেটে সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ড। ফেরার আগে ১৪ চার ও ৮ ছক্কায় ২৮৯ বলে অঙ্কন খেলেন ১৬৫ রানের ইনিংস। যা তার ক্যারিয়ার সেরা। শেষ পর্যন্ত ৫২১ রানে থামে ঢাকার ইনিংস। পরে ব্যাট করতে নেমে সুমন খানের তোপে ১০ রানের মধ্যে ড্রেসিং রুমে ফিরে যান সাব্বির হোসেন, হাবিবুর রহমান ও প্রিতম কুমার। ৮০ রানের জুটি গড়ে শুরুর চাপ সামাল দেন নাঈম আহমেদ ও সাব্বির রহমান। দিন শেষে রাজশাহীর সংগ্রহ এখন ছয় উইকেটে ১০৩ রান।
বগুড়ায় চট্টগ্রামের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিতে ২১৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন ময়মনসিংহের ওপেনার মাহফিজুল ইসলাম। এবারের লিগে এখন পর্যন্ত সাত ইনিংসে তিন সেঞ্চুরি ও দুই ফিফটিতে করেন ৬১৭ রান। মাহফিজুলের ডাবল সেঞ্চুরি হওয়ার কিছুক্ষণ পর সাত উইকেটে ৪৬৫ রানের ইনিংস ঘোষণা করে দেয় ময়মনসিংহ। পরে দারুণ শুরু করেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদিকুর রহমান। শুরুর জুটিতে আসে ১০৯ রান। দিন শেষে দুই উইকেট হারিয়ে ৪০ ওভারে ১৩৪ রান চট্টগ্রামের।
সিলেটের অ্যাকাডেমি মাঠে আগের দিনের পাঁচ উইকেটে ৩২০ রানের সাথে গতকাল ৮২ রান যোগ করতেই ৪০২ রানে অলআউট রংপুর। জবাবে দ্বিতীয় দিন শেষে তিন উইকেটে ১৭৯ রান বরিশালের। ১০ চার ও তিন ছক্কায় ১৬৮ বলে ৮৯ রান করেন রাফসান।
কক্সবাজারের মাঠে বৃষ্টির কারণে প্রথম দিন টসও করা যায়নি। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে গতকাল ৮০ ওভারে সিলেটের সংগ্রহ দুই উইকেটে ২৮০ রান।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








