
চট্টগ্রাম ব্যুরো
চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন ঘণ্টা পর সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ছেড়ে গেছে। ট্রেন ছাড়তে দেরি হওয়ায় বুধবার সকালে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা স্টেশনে বিক্ষোভ করেন। এ সময় স্টেশন মাস্টারকে তার কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরে রেলওয়ের কর্মীরা যাত্রীদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
জানা গেছে, পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের চট্টগ্রাম স্টেশন ছাড়ার নির্ধারিত সময় ছিল সকাল ৭টা ৫০ মিনিট। কিন্তু ট্রেনটি ছেড়ে যায় সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে। এতে কয়েক শ যাত্রীকে দীর্ঘ সময় স্টেশনে অপেক্ষা করতে হয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন যাত্রী স্টেশন মাস্টারের করে সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। ট্রেন ছাড়তে দেরি হওয়ায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। এদিন সকালে চট্টগ্রাম স্টেশনে আরো কয়েকটি ট্রেনের আসা-যাওয়ায় বিলম্ব হয়।
চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার আবু বকর সিদ্দিক বলেন, সিগন্যালিং সমস্যার কারণে সকালে কয়েকটি ট্রেনের আসা ও ছেড়ে যেতে দেরি হয়েছে। এতে যাত্রীরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। বিশেষ করে এক ট্রেন থেকে নেমে অন্য ট্রেনে যাদের গন্তব্যে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল, তারা বিপাকে পড়েন।
অন্য দিকে, স্টেশন মাস্টার আবু জাফর মজুমদারের বক্তব্য অনুযায়ী, সিলেট থেকে চট্টগ্রামে আসা ট্রেনটি নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা পর পৌঁছায়। ওই ট্রেনের ইঞ্জিন প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পাহাড়িকা এক্সপ্রেসে যুক্ত করতে হয়। এ কারণে ট্রেনটি সময়মতো ছাড়তে পারেনি। ইঞ্জিন-সঙ্কটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলেও তিনি জানান।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








