
মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা
নাটোরের বড়াইগ্রামে বালুবাহী ট্রাকের সাথে রাজশাহীগামী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত মো: শহিদুল ইসলাম (৫০) ও তার মেয়ে ফারহানা তাসফিয়াকে (৫) দাফন করা হয়েছে। এর আগে গতকাল সকালে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে হজরত ইয়ার উদ্দিন খলিফা (র:) মাজার শরিফ মাঠে তাদের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। নামাজে জানাজায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মো: রাসেল, বাংলাদেশের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাবেক পরিচালক মো: জাফর ইমাম সিকদার, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো: সাহাবুদ্দিন নান্নু, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো: সিরাজুল হক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা মো: ফিরোজ আলম গোলদার, মির্জাগঞ্জ ইয়ারিয়া আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো: হাবিবুর রহমান, সলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উপজেলা সেক্রেটারি মোহাম্মদ ওয়াদুদ গোলদার, ব্র্যাক ব্যাংকের সিনিয়র ক্রেডিট হেড মো: মাসুম মিয়া ও পূবালী ব্যাংক বরিশাল শাখার আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক মো: আবু সুফিয়ান প্রমুখ।
পরে মির্জাগঞ্জে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়। নিহত শহিদুল ইসলাম ব্র্যাক ব্যাংক, মাগুরা শাখায় কর্মরত ছিলেন।
এর আগে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে তাদের লাশ মির্জাগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তাদের এক নজর দেখার জন্য শত শত মানুষ ভিড় করেন। এ দুর্ঘটনায় শহিদুল ইসলামের স্ত্রী পূবালী ব্যাংকের কর্মকর্তা রুবিনা আক্তার ও একমাত্র ছেলে ফারহান তাজওয়ান লাবিব গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
এ দিকে ছেলে ও নাতনী হারিয়ে শহিদুল ইসলামের বৃদ্ধ মা জায়েদা বেগম (৭০) বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন। এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পটুয়াখালী-১ আসনের এমপি এয়ার ভাইস মার্শাল (অব:) আলতাফ হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, আমি এই দুর্ঘটনায় নিহতদের রূহের মাগফেরাত কামনা করছি। এ ছাড়াও আহতদের জন্য দোয়া করছি ও শোকাহত পরিবারের পাশে আছি।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








