
তজুমদ্দিন (ভোলা) সংবাদদাতা
২০০১ সালে শেখ হাসিনা আমার সাথে তোফায়েল আহমেদকে প্রতিদ্বন্দ্বী করেছেন। সে পরাজিত হওয়ার পর হাসিনা বুঝে গেছে আমার সাথে সন্ত্রাসী ছাড়া নির্বাচনে জয়লাভ করা সম্ভব না। তাই ঢাকা থেকে এক সন্ত্রাসীকে এনে নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করান। সেই সন্ত্রাসীর লালমোহনে ৫০০ বিঘা জমি, ঢাকার একাধিক বাড়ি দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জন করে। ৫ আগস্টের পরে সব রেখে সেই সন্ত্রাসী সপরিবারে পালিয়ে যায়। আ’লীগ রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে দেশের সম্পদ লুটপাট করতে। এমপি-মন্ত্রীরা লুটপাট করে বিদেশে প্রচুর সম্পদ করেছে। ফ্যাসিস্ট সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রীর বিদেশে ২০০-এর উপরে বাড়ি রয়েছে। আ’লীগ একটি দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসী দল। এ দলকে বাংলাদেশের মানুষ আর কখনো রাজনীতি করতে দেবে না। মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ বীর বিক্রম এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় গতকাল বেলা ৩টায় ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মেজর হাফিজ আরো বলেন, তজুমদ্দিনকে পৌরসভায় রূপান্তর করা হবে। বিনোদনের জন্য মেঘনার পাড়ে একটি পার্ক নির্মাণ করা হবে। সন্ত্রাসীদের কোনো ছাড় নেই, উল্লেখ করে তিনি পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দেন চরমোজাম্মেলে সালাউদ্দিন ডাকাত নামে যে সন্ত্রাসী রয়েছে তাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে। মাদকের বিরুদ্ধে যথাযথ আইন প্রয়োগ করতে প্রশাসনকে দিকনির্দেশনা দেন।
তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ গোলাম মোস্তফা মিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ ওমর আসাদ রিন্টু। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপশি উপজেলা জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মেজর হাফিজকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। তার এ অর্জনে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ দেখা যায়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে তিনি তজুমদ্দিন উপজেলায় কর্মরত সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








