
ক্রীড়া প্রতিবেদক
সুইডেন ও ডেনমার্কের বেশ ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় বয়সভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট ডানা-গোথিয়া কাপ। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) দুই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়ে সাড়া ফেলেছিল। বয়সে বড়দের খেলানোর কারণে সমালোচনাও আছে। মাঝখানে বহুদিন এই টুর্নামেন্টে খেলা হয়নি। ৩৬ বছর পর ফের বিকেএসপিকে ডানা-গোথিয়া কাপ খেলার আমন্ত্রণ জানিয়েছে সুইডেন ও ডেনমার্ক।
আজারবাইজানে বাংলাদেশ ফিফা অ-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণ করবে। সেই দলকে শুভেচ্ছা ও অনুপ্রেরণা জানাতে এসে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘বিকেএসপির ডিজি বলছিল ডানা-গোথিয়া কাপে আমন্ত্রণ পেয়েছে। এই টুর্নামেন্টে আমাদের সাফল্য রয়েছে। সেখান থেকে অনেক ফুটবলার এসেছে। ইউরোপে টুর্নামেন্ট খেললে আমাদের ফুটবলাররা আরো পরিপক্ব হবে। আমি ডিজিকে বলেছি, অবশ্যই সেখানে অংশগ্রহণ করা দরকার। আপনার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেন, আমাদের মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহায়তা থাকবে।’
ডানা-গোথিয়া কাপে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হলেও পরবর্তীতে আর সেভাবে খেলা হয়নি। সে সময় সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন বখতিয়ার। অধিনায়ক জুয়েল রানাও ছিলেন আলোচনায়। আর কোচ মনসুর আহমেদ তো ছিলেনই লাইমলাইটে। তবে অতিরিক্ত বয়সের খেলোয়াড় খেলানোয় বাংলাদেশের প্রতি আয়োজকদের সংশয় ছিল। আবার ইউরোপে খেলতে যাওয়া ছিল অত্যন্ত ব্যয়বহুল। বয়সের ব্যাপারে বেশ সচেতেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, ‘বয়স নিয়ে কোনো জটিলতা হবে না। যে বয়সের খেলা সেই বয়সের খেলোয়াড়রাই যাবে।’
দীর্ঘদিন পর ডানা-গোথিয়া কাপের আমন্ত্রণ নিয়ে বিকেএসপির পরিচালক প্রশিক্ষণ লে. কর্নেল মাবুদ হাসান বলেন, ‘মাত্র অল্প কিছু দিন আগে বিকেএসপির ডিজি মহোদয় ডানা-গোথিয়া কাপ থেকে ই-মেইল পান। জুলাইয়ে অ-১৫ পর্যায়ে সুইডেন ও ডেনমার্কে টুর্নামেন্ট হবে। মার্চের মধ্যে বিকেএসপিকে অংশগ্রহণের বিষয়ে তাদের জানাতে হবে।’
বিকেএসপি সম্প্রতি জাপানে একটি টুর্নামেন্টে ফুটবল দল পাঠিয়েছিল। সেই টুর্নামেন্টে অর্ধ কোটি টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে। বিকেএসপি ফুটবল ফেডারেশন থেকে আর্থিক সহায়তার অপেক্ষায় রয়েছে এখনো। ডানা-গোথিয়া কাপে দল পাঠাতে হলে কোটি টাকার মতো প্রয়োজন। মন্ত্রণালয় ও ফেডারেশনের সহায়তার ওপরই নির্ভর করছে বিকেএসপির ডানা-গোথিয়া কাপের অংশগ্রহণ।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








