
নোয়াখালী অফিস
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে দোকানে ঢুকে মিজানুর রহমান ওরফে মিজান (৩৪) নামের এক জামায়াত কর্মীকে গুলি করার তিন দিন পরও সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। গতকাল সোমবার সন্ধ্যার পর গুলিবিদ্ধ মিজানের ফুপাতো ভাই বাদি হয়ে ২২ জনকে আসামি করে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে গত শনিবার রাত ১০টায় উপজেলার আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জিনু মার্কেটের মিজান স্টোরে একদল সন্ত্রাসী মুখোশ পরে এসে জামায়াত কর্মী মিজানকে গুলি করে। এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে স্থানীয় আমান উল্লা বাজারে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।
জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও বেগমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা বোরহান উদ্দিন, বেগমগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মো: আবু জায়েদ অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি জানান ।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: শামসুজ্জামান বলেন, মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








