
চরফ্যাসন (ভোলা) সংবাদদাতা
ভোলার চরফ্যাসনে মা ইলিশ শিকারে সরকারি নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ইলিশ ধরার পাশাপাশি তা পাচারের প্রস্তুতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে অবৈধভাবে ইলিশ শিকার করে বিভিন্ন জেলায় পাঠাচ্ছে একটি চক্র।
গত রোববার গভীর রাতে উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের খজুরগাছিয়া এলাকায় পাচারের জন্য বরফভর্তি একটি গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। গাড়িটির নম্বর খুলনা মেট্রো-উ-১১-০০৭৭।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের কিছু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে একটি অসাধু চক্র অবৈধভাবে মাছ শিকার ও পাচার করছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। চরফ্যাসন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু বলেন, বিষয়টি তাদের কাছে এসেছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এদিকে নিষেধাজ্ঞার সময় মাছ ধরতে না পারায় জীবিকা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন কয়েকজন জেলে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলেন, গত কয়েক বছর মাছ কম পাওয়ায় অনেকেই ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। এনজিও ও দাদনদারদের ঋণ পরিশোধ করতে না পেরে কেউ কেউ নদীতে নামতে বাধ্য হচ্ছেন। জেলেদের কয়েকজন আরো অভিযোগ করেন, বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে ভারতীয় জেলেরা মাছ ধরছেন। নিষেধাজ্ঞার আগে পর্যাপ্ত মাছ না পাওয়ায় তারা আর্থিক সঙ্কটে পড়েছেন বলেও জানান।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মৎস্য বিভাগের বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল অবৈধ মাছ শিকার ও পাচার বন্ধে সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযান জোরদার এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








