
বিশেষ সংবাদদাতা
সৌদি আরবের দু’টি বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন এলাকায় টার্গেট করে মিসাইল হামলা শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রবাসী বাংলাদেশীদের দিন কাটছে শঙ্কার মধ্যে। হামলার এক সপ্তাহ পর রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস বাংলাদেশীদের সতর্ক করে জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, স্থানীয় ঝুঁকিপূর্ণ ও জনবহুল এলাকাগুলো এড়িয়ে চলার জন্য।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মধ্যেপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতিতে সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশী নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন একং সৌদি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জারী করা নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ এবং পালনের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়। এর মধ্যে যে কোনো ধরনের তথ্য, ছবি বা ভিডিও ধারন আদান-প্রদান এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা সৌদি আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই এসব থেকে সম্পূর্ণরুপে বিরত থাকার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়।
এ দিকে গতকাল শনিবার রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বেবিচকের পক্ষ থেকে সৌদির রিয়াদ ও দাম্মামগামী শিডিউল ফ্লাইট কতগুলো বাতিল হয়েছে, সেটির আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়া হয়নি। তবে পর্যন্ত এই রুটে ১০৩টি ফ্লাইটের প্রায় ১৭ হাজার যাত্রীর যাত্রা বাতিল করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছিল। এরমধ্যে যারা রুট পরিবর্তন করে গন্তব্য যেতে আগ্রহী তাদের বিমানসহ অন্য এয়ারলাইন্সের সংশ্লিষ্ট শাখায় যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। এর মধ্যে অনেক যাত্রী আটকে পড়ায় তাদের ভিসা মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন। তাদেরকেই এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ অগ্রাধিকার দিচ্ছেন বলে বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে। দাম্মাম ও রিয়াদ প্রবাসী বাংলাদেশীদের অভিযোগ দফায় দফায় হামলা হওয়ার পরও আমাদের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে কোনো বার্তা জানানো হয়নি। দূতাবাসের ওয়েবসাইট ঘেটে দেখা যায়, মিসাইল হামলায় আহত ও নিহতদের বিষয়ে পরবর্তীতে কি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে সে ব্যাপারে দূতাবাসের ফেসবুক পেইজে কোনোকিছুই উল্লেখ নেই। অথচ টেলিভিশন দেখার চাইতে প্রবাসীরা মোবাইলে-ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি অ্যাকটিভ থাকছেন। তারা বলছেন, আগে মোবাইলে এ্যলার্ম বাজতো না। এখন হামলার আশংকার আগেই মোবাইলে সাইরেন বাজছে।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








