তারকাদের শেষ সাক্ষাৎকারে ফিরছে ‘দ্য অ্যাসেম্বলি’
তারকাদের শেষ সাক্ষাৎকারে ফিরছে ‘দ্য অ্যাসেম্বলি’।

বিনোদন রিপোর্ট 
কানাডার জনপ্রিয় ও পুরস্কারজয়ী অনুষ্ঠান ‘দ্য অ্যাসেম্বলি’র দ্বিতীয় মৌসুম শুরু হচ্ছে আগামী ১ নভেম্বর। নতুন মৌসুমে আরো বেশি সাক্ষাৎকারগ্রহণকারী, তারকা অতিথি এবং চমকপ্রদ মুহূর্ত নিয়ে ফিরছে ব্যতিক্রমী এই অনুষ্ঠান। ছয় পর্বের নতুন মৌসুমে অংশ নেবেন ৩০ জনেরও বেশি স্নায়ুবৈচিত্র্যসম্পন্ন ও স্বতন্ত্র বিকাশগত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী প্রাপ্তবয়স্ক সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী। তাদের প্রশ্নের মুখোমুখি হবেন কানাডা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের পরিচিত তারকারা। কানাডার জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিবিসি গত ১৫ অক্টোবর দ্বিতীয় মৌসুমের ছয় অতিথির নাম ঘোষণা করেছে।
নতুন মৌসুমে অতিথি থাকছেন অভিনেতা হাডসন উইলিয়ামস, তিনবারের অলিম্পিক স্বর্ণপদকজয়ী বরফ হকির তারকা মারি-ফিলিপ পুলাঁ, অভিনেতা জে বারুশেল, মিস ইউনিভার্স কানাডা খেতাবজয়ী অ্যাশলি কলিংবুল, গায়িকা ও গীতিকার লাইটস এবং অভিনেতা জ্যাক গ্যালিফিয়ানাকিস। আগামী ১ নভেম্বর রোববার রাত ৯টায় সিবিসি টেলিভিশন ও সিবিসি জেমে অনুষ্ঠানটির প্রচার শুরু হবে। কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ড ও ল্যাব্রাডর অঞ্চলে প্রচারিত হবে রাত সাড়ে ৯টা। একই দিন সকাল ৯টা থেকে সিবিসি জেমে দেখা যাবে প্রতিটি পর্বের বর্ধিত বিশেষ সংস্করণ, যেখানে প্রযোজকের সম্পাদনায় আরো বিস্তৃত দৃশ্য ও কথোপকথন উপভোগ করতে পারবেন দর্শক। প্রচলিত সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানের ছক ভেঙে তৈরি ‘দ্য অ্যাসেম্বলি’ প্রথম মৌসুমেই দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। অনুষ্ঠানের বিশেষত্ব হলো- এখানে তারকাদের সামনে সাজানো প্রশ্নের তালিকা ধরে এগোনো হয় না; বরং সাক্ষাৎকারগ্রহণকারীরা তাদের কৌতূহল, ব্যক্তিগত উপলব্ধি ও স্বতঃস্ফূর্ত চিন্তা থেকে সরাসরি প্রশ্ন করেন। ফলে অতিথিদের এমন সব প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়, যেগুলো সাধারণত প্রচলিত বিনোদনমূলক সাক্ষাৎকারে উঠে আসে না। কখনো প্রশ্নে তৈরি হয় অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি, কখনো প্রকাশ পায় তারকাদের ব্যক্তিজীবনের অজানা অভিজ্ঞতা, আবার কখনো আবেগঘন মুহূর্তের মধ্য দিয়ে উঠে আসে মানুষের জীবনের গভীরতর গল্প।
দ্বিতীয় মৌসুমেও প্রথম পর্বের পরিচিত সাক্ষাৎকার গ্রহণকারীদের পাশাপাশি নতুন মুখ যুক্ত হচ্ছেন। ফলে এবার সাক্ষাৎকারের পরিসর আরো বড় হচ্ছে। ছয়টি পর্বে ছয়জন তারকার সাথে আলাদা আলাদা কথোপকথনের মধ্য দিয়ে দর্শকেরা পাবেন ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতা। আয়োজকদের প্রত্যাশা, সরাসরি প্রশ্ন, অকৃত্রিম প্রতিক্রিয়া, হাসি-কান্না এবং অপ্রস্তুত মুহূর্তের সমন্বয়ে নতুন মৌসুমও দর্শকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে। সিবিসির নির্বাহী পরিচালক জেনিফার ডেটম্যান বলেন, ‘দ্য অ্যাসেম্বলি’র প্রথম মৌসুমের সাড়া ছিল অসাধারণ। তার ভাষ্য- সাক্ষাৎকার গ্রহণকারীরা প্রচলিত টেলিভিশন কথোপকথনে এক নতুন ধরনের প্রাণবন্ততা ও সততা নিয়ে আসেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত তারকাদের সাথে তাদের আরো আকর্ষণীয় কথোপকথন দর্শকদের সামনে তুলে ধরতে পেরে সিবিসি আনন্দিত।

Advertisement