
নয়া দিগন্ত ডেস্ক
দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে রোববার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মোট দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা ঢাকা ও সিলেট বিভাগে মারা গেছেন। তবে এ সময় নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি। গতকাল স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য মতে একই সময় নতুন করে হাম ও উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন মোট এক হাজার ৪২১ জন। এর মধ্যে এক হাজার ২৬৯ জনের দেহে হামের উপসর্গ মিলেছে। আর হাম শনাক্ত হয়েছে ১৫২ জনের। এ ছাড়া নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ১৭৯ জন, আর সুস্থ হওয়ায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন এক হাজার ১৮৬ জন।
আর চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হাম ও উপসর্গ নিয়ে গতকাল পর্যন্ত সারা দেশে মোট এক হাজার ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০৪ জন, আর উপসর্গে মারা গেছে এক হাজার ৬০ জন।
একই সময়ে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে মোট দুই লাখ ছয় হাজার ২৯৭ জনের। আর হাম শনাক্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ২২ হাজার ৫৭৩ জনের। মোট হাম ও উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে দুই লাখ ২৮ হাজার ৮৭০ জন। তাদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক লাখ ৮৩ হাজার ২২৬ জন। আর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে গেছে এক লাখ ৭৫ হাজার ৬৫৫ জন।
চলতি বছরে হাম ও উপসর্গে সবচেয়ে বেশি ৫৪৫ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এরপর সিলেট বিভাগে ১৯১, রাজশাহীতে ৯৬, ময়মনসিংহে ৮৩, চট্টগ্রামে ১০৪, বরিশালে ৮১, খুলনায় ৪৭ ও রংপুর বিভাগে ১৭ জন মারা গেছে।
সিলেটে আরো ২ জনের মৃত্যু
সিলেট ব্যুরো জানায়, সিলেটে হামের উপসর্গে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর এই বিভাগে হাম ও উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯১ জনে। এর মধ্যে সন্দেহজনক হাম রোগে ১৮১ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ দিকে রোববার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো সাতজনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১২১ জন। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫২১ জন।
গতকাল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ডা. মো: মাহবুবুল আলম। স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্যমতে, সর্বশেষ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যাওয়া চার মাসের তাবাসসুম আক্তার হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার বাসিন্দা।
_GDN_970x90px_Bangla.gif&w=2048&q=75)








